নারায়ণগঞ্জে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুরের পাশাপাশি একটি বাসে আগুন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ভোর ৬টার পর থেকে জামাত-শিবিরকর্মীরা হরতাল সমর্থনে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে মৌচাক ও সানারপাড় এলাকায় খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে।
এক পর্যায়ে তারা মহাসড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে প্রায় ৪০/৫০টি টায়ার ও ফোমের স্তুপে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এ সময় তারা ৮/১০টি যানবাহন ভাংচুর করে।
পুলিশ বাধা দিলে জামাত-শিবিরকর্মীদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। হরতাল সমর্থকরা ইটের টুকরা ছুঁড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
অবরোধের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল আলম মোল্লা বলেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।”
সকাল পৌনে ৮টার দিকে হরতালবিরোধী মিছিল বের করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
এদিকে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোডের ভূঁইগড় দেলপাড়া এলাকায় নারায়ণগঞ্জগামী বন্ধন পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় শিবিরকর্মীরা।
পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভায়। এতে ওই সড়কে আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার শেখ নাজমুল আলম বলেন, জামাত-শিবিরের কর্মীরা বিক্ষিপ্ত হামলা চালাচ্ছে। নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন