ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করা হচ্ছে।
এ জন্য সোমবার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (সংশোধনী) আইন, ২০১২’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে শেয়ারবাজারের সব প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার আদেশ দেয় বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে বদলানো হয়নি।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানান, ১৯৭৬ সালে জারি করা একটি অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত এ সংস্থাটির বর্তমান আইনে কিছু সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ আইসিবিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সংশোধনী প্রস্তাব এনেছে। প্রস্তাবগুলো নিয়ে মন্ত্রিসভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির অধিভূক্ত তিনটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদমর্যাদাও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে এ আইনে। এতে সিইওদের পদমর্যাদা মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইসিবির বিলুপ্ত দুটি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক’ এবং ‘বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার’ নাম এ খসড়া আইনের সংশোধনীতে বাদ দেয়া হয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে এই দুটি সংস্থা একীভূত করে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)’-এর নাম।
নবম জাতীয় সংসদের ২০১৩ সালের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া নিয়েও মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে বলে সচিব জানান।
তিনি জানান, সব মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য নিয়ে স¤প্রতি এ ভাষণের খসড়াটি তৈরি করা হয়। এতে সরকারের সর্বশেষ বছরের কর্মকা- সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের চার বছরের কর্মকা-ও এতে সংক্ষিপ্তভাবে স্থান পেয়েছে। মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য এ ভাষণে অন্তর্ভূক্তির জন্য তাদের মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য দিতে চেয়েছেন। এসব তথ্য সংযোজন করে বক্তব্যটি আবারো মন্ত্রিসভায় তোলা হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে চীনের বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করা হয় বলে জানান সচিব।
এছাড়া স¤প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম’-এর বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অংশ নেয়া সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন