বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের ধসে পড়া গার্ডারের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আর কোনো লাশ পাওয়া যায়নি। তবে পাশের পুকুরে ডুবুরিরা এখনও লাশের খোঁজ করছেন।
উদ্ধার অভিযান চালানো সেনাবাহিনীর দলের নেতা কর্নেল মো. নাইম আশফাক মঙ্গলবার জানান, পুকুরে ধসে পড়া অংশ ছাড়া ওপরের উদ্ধার কাজ মঙ্গলবার সকালে শেষ হয়েছে।
বহদ্দারহাটের শাহ আমানত সংযোগ সড়কের বহদ্দারবাড়ি পুকুরের সামনে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ভেঙে পড়ে।
সোমবার সকালে চাঁন মিয়া নামের একজন রাজমিস্ত্রির লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ি, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীদের হিসাব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৩তে দাঁড়ায়। তবে জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১২।
সোমবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা থেকে আসা একটি ডুবুরি দল, নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বহদ্দার বাড়ি পুকুরে পড়া গার্ডারের নিচে অংশ তল্লাশি করেছে।
তবে পানিতে ভেঙে পড়া গার্ডারের নিচে লাশ থাকতে পারে- এমন আশঙ্কায় স্থানীয় জনগণ এ পুকুরটি সেচার দাবি জানায়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম আজহারুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, জেলা প্রশাসক বিকেলে এসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।
তিনি জানান, ফ্লাইওভারের গার্ডার ধসের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের হিসেবে ১২ জন নিহত হয়েছে।
সিডিএর তত্ত্বাবধানে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়, যাতে ব্যয় ধরা হয় ১০৬ কোটি টাকা। পারিশা এন্টারপ্রাইজ ও মীর আক্তার এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এর নির্মাণ কাজ করছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন