এক যুগের পুরোনো নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে অন্যতম সেরা একটি দিন কাটাল আজ
বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টের প্রথম দুই দিনে ৫২৭ রানের পাহাড়ে উঠে ওয়েস্ট
ইন্ডিজ যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল, সেই চ্যালেঞ্জ দারুণভাবেই মোকাবিলা করছে
বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৪৫৫ রান নিয়ে উল্টো ওয়েস্ট ইন্ডিজের
দিকেই চ্যালেঞ্জটা ঠেলে দিয়েছে টাইগাররা। নাঈম ইসলামের অনবদ্য শতরান (১০৮),
সাকিব আল হাসানের ৮৯, মুশফিকুরের ৪৩ রানের পর বেলা শেষে মাহমুদউল্লাহ ও
নাসির হোসেনের অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটি এগারো মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে
দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনেরই সাক্ষ্য দিচ্ছে।
চা-বিরতির ঠিক পরপর প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান নাঈম ইসলাম ও পরে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে হারিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দিনের শেষ ঘণ্টাটি দারুণভাবেই লড়াইটা টেনে নিয়ে গেছেন নাসির হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত আছেন ৪২ রানে, নাসির হোসেন অপরাজিত ৩৩। কাল মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন এই অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশকে নতুন স্বপ্ন দেখাতেই মাঠে নামবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগৃহীত ৫২৭ রান থেকে আর মাত্র ৭২ রান দূরে বাংলাদেশ। একটা সময় ফলোঅনের আশঙ্কায় থাকা বাংলাদেশের লক্ষ্য এ মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছাড়িয়ে যাওয়া। সেই পথে বেশ ভালোভাবেই আছে মুশফিকুর রহিমের দল। অবিচ্ছিন্ন নাসির ও মাহমুদউল্লাহর পর আছেন সোহাগ গাজী। জাতীয় ক্রিকেট লিগে সম্প্রতি এই সোহাগের ব্যাট থেকে এসেছে দারুণ একটি শতরান। তবে নাসির ও মাহমুদউল্লাহর প্রতি প্রত্যাশা নিজেদের জুটিকে অন্তত কাল মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া।
মিরপুর টেস্ট বোলারদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়েই দেখা দিয়েছে। গতকাল পুরো দ্বিতীয় দিনটি ছিল বাংলাদেশের বোলারদের জন্য বন্ধ্যা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের অবস্থা বাংলাদেশের বোলারদের মতো অতটা খারাপ না হলেও ছয়টি উইকেট তুলে নিতে তাঁদের যথেষ্টই পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভুলের জন্য। এটা ঠিক, বাংলাদেশের পতন হওয়া ছয়টি উইকেটেই যতটা ক্যারিবীয়দের কৃতিত্ব, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভুলের মাসুল তার চেয়ে অনেক বেশি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে সফল দুই বোলার রবি রামপল ও ড্যারেন স্যামি। রামপলের দখলে গেছে ৩ উইকেট; স্যামির ঝুলিতে ২। ভিরাসামি পেরমেলের এক উইকেট। বহুল আলোচিত সুনীল নারাইন মিরপুর টেস্টের কথা বোধহয় ভুলে যেতেই চাইবেন।
চা-বিরতির ঠিক পরপর প্রথমে সেঞ্চুরিয়ান নাঈম ইসলাম ও পরে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে হারিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দিনের শেষ ঘণ্টাটি দারুণভাবেই লড়াইটা টেনে নিয়ে গেছেন নাসির হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত আছেন ৪২ রানে, নাসির হোসেন অপরাজিত ৩৩। কাল মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন এই অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশকে নতুন স্বপ্ন দেখাতেই মাঠে নামবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগৃহীত ৫২৭ রান থেকে আর মাত্র ৭২ রান দূরে বাংলাদেশ। একটা সময় ফলোঅনের আশঙ্কায় থাকা বাংলাদেশের লক্ষ্য এ মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছাড়িয়ে যাওয়া। সেই পথে বেশ ভালোভাবেই আছে মুশফিকুর রহিমের দল। অবিচ্ছিন্ন নাসির ও মাহমুদউল্লাহর পর আছেন সোহাগ গাজী। জাতীয় ক্রিকেট লিগে সম্প্রতি এই সোহাগের ব্যাট থেকে এসেছে দারুণ একটি শতরান। তবে নাসির ও মাহমুদউল্লাহর প্রতি প্রত্যাশা নিজেদের জুটিকে অন্তত কাল মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া।
মিরপুর টেস্ট বোলারদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়েই দেখা দিয়েছে। গতকাল পুরো দ্বিতীয় দিনটি ছিল বাংলাদেশের বোলারদের জন্য বন্ধ্যা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের অবস্থা বাংলাদেশের বোলারদের মতো অতটা খারাপ না হলেও ছয়টি উইকেট তুলে নিতে তাঁদের যথেষ্টই পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভুলের জন্য। এটা ঠিক, বাংলাদেশের পতন হওয়া ছয়টি উইকেটেই যতটা ক্যারিবীয়দের কৃতিত্ব, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভুলের মাসুল তার চেয়ে অনেক বেশি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে সফল দুই বোলার রবি রামপল ও ড্যারেন স্যামি। রামপলের দখলে গেছে ৩ উইকেট; স্যামির ঝুলিতে ২। ভিরাসামি পেরমেলের এক উইকেট। বহুল আলোচিত সুনীল নারাইন মিরপুর টেস্টের কথা বোধহয় ভুলে যেতেই চাইবেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন