কুয়েতের সঙ্গে দ্বৈত কর পরিহার এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রি পরিষদ।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রি পরিষদের নিয়মিত সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১২ এর খসড়া সংসদে উপস্থাপনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এ আইন অনুযায়ী বিশেষ বিধানকে আরো ১ বছর বাড়ানো হয়েছে।
সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোশাররফ হোসাইন ভুঁইঞা বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ও কুয়েত দ্বৈত কর পরিহার সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে। নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী পরিষদে এটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’’
ব্যবসা-বাণিজ্যে যারা কাজ করছেন তাদের দু’দেশেই যাতে ড্যাবল ট্যাক্স দিতে না হয় সে জন্য দু’দেশের সরকারের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। এর ফলে দু’দেশের মধ্যে বিনিয়োগের সুযোগ ও বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধির বিধান (বিশেষ বিধান) আরো এক বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর আগে মন্ত্রীসভায় অনুমোদনের পর সংসদ অধিবেশন না থাকায় গত ১১ অক্টোবর অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছিল। এটি এখন সংসদে উপস্থাপন করতে মন্ত্রী পরিষদ অনুমতি দিল বলে মোশাররাফ হোসাইন ভুঁইঞা জানান।
এছাড়া সভায় বাংলাদেশ ল প্র্যাকটিশনার অ্যান্ড বার কাউন্সিল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট ২০১২ সংসদে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রি পরিষদ অনুমতি দিয়েছে। এ সংশোধনী অনুযায়ী নতুন আইন তালিকা ভুক্তির কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক জন বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের দুই জন বিচারপতি এবং বার কাউন্সিল মনোনীত এক জন প্রতিনিধি থাকার বিধান করা হয়েছে।
সংসদের অধিবেশন না থাকায় এটিও অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছিল। এখন এটি বিল আকারে সংসদে পাঠানো হবে বলে সচিব জানান।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন