জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে ‘ছাড়িয়ে নিতে’ থানায় এসে নিজেই আটক হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনকে বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আটক করা হয়।
এর আগে শহরের পাইকাপাড়া এলাকা থেকে ‘সন্দেহজনক আচরণের’ অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর হলেন- তোবারক হোসেন তুহিন (৩৬), মোহাম্মদ পলাশ (২২), সুলতান খান (৬১), বাবুল (৪০), মোহাম্মদ আলী (৪০), দেলোয়ার হোসেন (৩৬), জুয়েল তালুকদার (৪৫), নাছিরউদ্দিন (৪০), মতিন (৪৫) ও মিঠু (৩৫)।
ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পাইকপাড়া এলাকায় একটি সংগঠনের কার্যালয়ে বসে ‘গোপন বৈঠক’ করার সময় ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদের অধিকাংশই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মী বলে পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
গ্রেপ্তারের পর থানায় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে যান ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন। তিনি গ্রেপ্তার জামায়াত কর্মী সুলতানকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য ‘চাপ’ দিতে থকলে তাকেও আটক করা হয় বলে জানান ওসি।
আলমগীর হোসেনের সঙ্গে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের ‘ওঠাবসা’ আছে। বিল ফাঁকির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলেও ওসি জানান।
গত সোমবার নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেলগেইট এলাকায় শিবির কর্মীরা পুলিশের উপর হামলা চালায় এবং ওসির পিকআপ ভ্যান ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ওসিসহ ১০ জন আহত হন।
হামলার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন।
ওই ঘটনায় জেলা জামায়াতের আমির মাঈনউদ্দিনসহ ৬০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন