স্ত্রী হত্যার দায়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে লন্ডনের আদালত।
গত মে মাসে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের ব্রুমলি-বাই-বো এলাকার ফ্ল্যাটে স্ত্রী রুশনা বেগমকে (২৮) ছুরি মেরে হত্যা করেন শেখ শহীদুল ইসলাম (৩৫)। খুনের পর ফ্ল্যাটে স্ত্রীর লাশের সঙ্গে দুই বছরের ছেলেকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তিনি।
২৫ মে পুলিশ যখন ফ্ল্যাট থেকে রুশনার লাশ উদ্ধার করে, তার শরীরে ছুরিকাঘাতের তিনটি চিহ্ন পাওয়া যায়। ওইদিনই বেডফোর্ডশায়ার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শহীদুলকে।
লন্ডনের ওল্ড বেইলি কোর্ট গত ১৯ নভেম্বর এই বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।
মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, শহীদ-রুশনার বিয়ে হয় ১০ বছর আগে। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু জুয়ায় আসক্ত শহীদের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে ২০০৯ সালের দিকে দাম্পত্য কলহ প্রকট আকার ধারণ করে।
ইস্ট হ্যামে একটি ছোট্ট দোকান চালিয়ে যা আয় হতো, তার পুরোটাই জুয়ায় ঢালতেন শহীদ। এ কারণে তাদের ঋণ ৩০ হাজার পাউন্ড ছাড়িয়ে গেলে পাওনাদাররা ২০১১ সালে আদালতেও যান। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার আগ পর্যন্ত পরিবারের প্রায় ৯০ হাজার পাউন্ড জুয়ায় উড়িয়েছেন শহীদুল।
দাম্পত্য কলহের এক পর্যায়ে ২০১১ সালে শহীদ ছুরি হাতে হুমকি দিলে বিষয়টি পুলিশকে জানান রুশনা। থানায় করা অভিযোগে তিনি বলেন, দুই বছর ধরে স্বামীর মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে করতে তিনি ক্লান্ত। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা বিফলে যায়।
রায় ঘোষণার সময় ওল্ড বেইলি কোর্টের বিচারক ব্রায়ান বার্কার বলেন, শহীদের মধ্যে ভাল যা কিছু ছিল- জুয়ার নেশা তার সবই কেড়ে নিয়েছে।
“জুয়ায় আসক্তিই তোমার পতনের কারণ। এটা তোমাকে দুর্দশার মধ্যে নিয়ে গেছে, যার শেষ হয়েছে চূড়ান্ত সর্বনাশে।”
বিচারক বলেন, শহীদ কেবল তার স্ত্রী রুশনাকেই হত্যা করেননি, তার পরিবার ও বন্ধুদেরও অসহনীয় যন্ত্রণার মধ্যে নিয়ে গেছে।
গত মে মাসে পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের ব্রুমলি-বাই-বো এলাকার ফ্ল্যাটে স্ত্রী রুশনা বেগমকে (২৮) ছুরি মেরে হত্যা করেন শেখ শহীদুল ইসলাম (৩৫)। খুনের পর ফ্ল্যাটে স্ত্রীর লাশের সঙ্গে দুই বছরের ছেলেকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তিনি।
২৫ মে পুলিশ যখন ফ্ল্যাট থেকে রুশনার লাশ উদ্ধার করে, তার শরীরে ছুরিকাঘাতের তিনটি চিহ্ন পাওয়া যায়। ওইদিনই বেডফোর্ডশায়ার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শহীদুলকে।
লন্ডনের ওল্ড বেইলি কোর্ট গত ১৯ নভেম্বর এই বাংলাদেশিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।
মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, শহীদ-রুশনার বিয়ে হয় ১০ বছর আগে। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু জুয়ায় আসক্ত শহীদের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে ২০০৯ সালের দিকে দাম্পত্য কলহ প্রকট আকার ধারণ করে।
ইস্ট হ্যামে একটি ছোট্ট দোকান চালিয়ে যা আয় হতো, তার পুরোটাই জুয়ায় ঢালতেন শহীদ। এ কারণে তাদের ঋণ ৩০ হাজার পাউন্ড ছাড়িয়ে গেলে পাওনাদাররা ২০১১ সালে আদালতেও যান। অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার আগ পর্যন্ত পরিবারের প্রায় ৯০ হাজার পাউন্ড জুয়ায় উড়িয়েছেন শহীদুল।
দাম্পত্য কলহের এক পর্যায়ে ২০১১ সালে শহীদ ছুরি হাতে হুমকি দিলে বিষয়টি পুলিশকে জানান রুশনা। থানায় করা অভিযোগে তিনি বলেন, দুই বছর ধরে স্বামীর মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে করতে তিনি ক্লান্ত। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা বিফলে যায়।
রায় ঘোষণার সময় ওল্ড বেইলি কোর্টের বিচারক ব্রায়ান বার্কার বলেন, শহীদের মধ্যে ভাল যা কিছু ছিল- জুয়ার নেশা তার সবই কেড়ে নিয়েছে।
“জুয়ায় আসক্তিই তোমার পতনের কারণ। এটা তোমাকে দুর্দশার মধ্যে নিয়ে গেছে, যার শেষ হয়েছে চূড়ান্ত সর্বনাশে।”
বিচারক বলেন, শহীদ কেবল তার স্ত্রী রুশনাকেই হত্যা করেননি, তার পরিবার ও বন্ধুদেরও অসহনীয় যন্ত্রণার মধ্যে নিয়ে গেছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন