
সেঞ্চুরিটা হয়ে গেলে ধন্য ধন্য পড়ে যেতো। তারিফ করার লোকেরও অভাব হতো না। তিনি যে দিনভর খেটে খুটে দলের চালিকা শক্তি হয়ে ছিলেন, সেটা এখন কেউ মনে রাখছে না, পারলে ভিলেন বানিয়ে ফেলে। এতে অবশ্য সাকিব আল হাসানের কিছু যায় আসে না। লোকের কথায় তিনি কানও দেননা। কিন্তু সাকিব তো কোন দোষ করেননি। বরং আজ যে, বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে, তা ওই বাঁহাতি অলরাউন্ডারের জন্যেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে ২০০.৩ ওভার ব্যাটিং করেছে, তাতে সাকিবের বোলিং ৫২ ওভার। শনিবারও ১৪ ওভার বল ডেলিভারি দিতে হয়েছে তাকে। এই ১৪ ওভারেই তিনি টেস্ট উইকেট শিকারের মাইলফলকের ছোঁয়া পেয়েছেন। এদিন ৪ উইকেট নেওয়ায় দেশের সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট এখন তার দখলে, ১০২টি। এত এত ওভার বল করার পর ১১৭ বল খেলে ৯৭ রান করেছেন। নাসির হোসেনের সঙ্গে ১৪৪ রানের জুড়িও হয়েছে। এই মাইলফলক ছোঁয়াকে সেভাবে উদযাপনও করলেন না। কিন্তু কেন, উত্তর সাকিবের,‘আমাদের দল যে অবস্থায় ছিলো সেখানে দাঁড়িয়ে ‘সেলিব্রেশন’ করা ঠিক হতো না। সে জন্যই আমি উদযাপন করিনি। করতে ভালোও লাগতো না।’
বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার আগেও দুবার ৯৬ রানে আউট হয়েছেন, শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এবারও তিনি ওই একই ভুল করবেন, তার কাছ থেকে সেটা কেউ আশা করেননি। সাকিবের যুক্তি হলো,‘নারিন বল করছিলো। আর ও যে বল দিয়েছে, ওই শট আমার খুব প্রিয়। ব্যাট চালিয়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু ঠিক ভাবে লাগেনি। লাগলে তো সফলই থাকতাম।’
তবে সেঞ্চুরি মিস করায় কিছুটা আক্ষেপ আছে তার,‘আশা করেছিলাম সেঞ্চুরিটা করতে পারবো। চেষ্টাও করেছি কিন্তু হয়নি। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এলে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে চেষ্টা করবো।’
0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন