
প্রেমকে বাস্তবে রুপান্তরিত করতে প্রেমিক যুগল ভাল মন্দ যাচাই বাছাই না
করেই ভালবেসে জীবন দিয়েছেন বিসর্জন। প্রেমকে রুপান্তরিত করতেই সম্রাট শাহ
জাহান গড়ে ছিলেন তাজমহল। যুগের পর যুগ ধরেই চলছে প্রেমের নানা গল্প
কাহিনী। নবীগঞ্জে এমই এক ঘটনা নিয়ে সর্বত্র চলছে তুলপাড়। প্রেমিকার সাথে
দেখা করতে গিয়ে চুরির অভিযোগে আটক হওয়া আউশকান্দি বাজারের প্রতিষ্টিত
ব্যবসায়ী দুলন মিয়ার অবশেষে প্রেমেরই জয় হলো। নবীগঞ্জের আমুকোনা গ্রামের
শাম্মি আক্তার প্রেমের টানে আউশকান্দি বাজারের ব্যবসায়ী দুলন মিয়ার সাথে
অজানার উদ্যেশ্যে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তুলপাড় হচ্ছে পুরো উপজেলা জোড়ে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউপির আমুকোনা
গ্রামের মোঃ আহমদ চৌধুরীর কনিষ্ট মেয়ে শাম্মি আক্তার চৌধুরীর সাথে মোবাইল
ফোনের সূত্র ধরে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিলো দুলন মিয়ার। সে
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার আলীপুর গ্রামের মকবুল উদ্দিন এর পুত্র। সে
উপজেলার ব্যস্থতম আউশকান্দি-হীরাগঞ্জ বাজারে দুলন রেফ্রিজারেটরের মালিক।
প্রায় ১২/১৩ বছর ধরে দুলন আউশকান্দি বাজারে সু-নামের সহিত ব্যবসা করে
আসছিল। আউশকান্দি বাজারের ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে প্রায়ই প্রেমিক যুগলের
বিভিন্ন স্থানে দেখা সাক্ষাত হতো। প্রথমে স্থানীয় আউশকান্দি বাজারে সহ
বিভিন্ন স্থানে দেখা করতো প্রেমিক যুগল। যতদিন যেথে লাগলো প্রেমিক যুগলের
কাছে পাওয়ার আকাঙ্কা আরো তীব্র হলো। সেই থেকে প্রেমিক যুগল প্রায়ই মিলিত
হতো অনৈতিক কাজে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ অক্টোবর প্রেমিকা শাম্মি আক্তার
কে কাছে পাওয়ার আকাঙ্কায় দুলন মিয়া গভীর রাতে চলে যান প্রেমিকা শাম্মি’র
বাড়িতে। প্রেমিকা শাম্মি আক্তারের কাছ থেকে গভীর রাতে চলে আসার সময় নজরে
পড়েন এলাকার কিছু লোকের। ওই গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষকের বাড়িতে
চুরির অভিযোগে পরদিন ২১ অক্টোবর সকালে আজাদ মিয়া সহওই গ্রামের কিছু লোকজন
তাকে দোকান থেকে ধরে নিয়ে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় থানায়
একটি চুরির মামলা ও করা হয়, ওই মামলায় দুলন সহ আমুকোনা গ্রামের গিয়াস
মিয়ার পুত্র সামসুল মিয়া ও তার সহোদর মশাহিদ মিয়া সহ আরো কয়েকজনকে আসামী
করা হয়। এ নিয়ে এলাকায় চলতে থাকে নানা আলোচনা সমালোচনা। প্রেমিকার সাথে
দেখা করতে গিয়ে চুরির অভিযোগে আটক হওয়া এবং ওই প্রেমের ঘটনায় এলাকায়
দীর্ঘদিন ধরে চলছিলো নানা সমালোচনার ঝড়। বাজারের একজন প্রতিষ্টিত
ব্যবসায়ীর বিরোদ্ধে চুরির অভিযোগে তুলপাড় ঘটে সর্বত্র। ১দিন হাজত বাস ও
২দিন জেলে থাকার পর জামিনে বেড়িয়ে আসে দুলন। জেল জুলুমের পরও থেমে থাকেনি
প্রেমিক যুগল। শত বাধা পেড়িয়েও চলতে থাকে প্রেমলীলা। ১ মাস পেরিয়ে যাওয়ার
আগেই কাছে পাওয়ার আকাঙ্কায় গত মঙ্গলবার গভীর রাতে সকল বাধার শিকল ছিড়ে
অবশেষে সু-কৌশলে অজানার উদ্যেশ্যে পালিয়ে যায় প্রেমিকযুগল। পরে তারা কোর্ট
ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় বলে বিশ্বস্থসূত্রে জানা গেছে।
ব্যবসায়ী দুলনের সাথে শাম্মি আক্তারের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আউশকান্দি সহ
পুরো উপজেলায় চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।
0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন