নির্বাচন কমিশনের সংলাপে যাবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি বিএনপি।
ইসির চিঠি পেলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার।
আগামী মঙ্গলবার থেকে ৩৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করছে ইসি। তবে বর্তমান ইসি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েই আপত্তি জানিয়ে আসছে বিএনপি।
কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন ইসির অধীনে সংলাপ না করার কথা ইতোমধ্যে বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।
এম কে আনোয়ার বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত আমন্ত্রণপত্র পাইনি। চিঠি পাওয়ার পর তার বিষয়বস্ত নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।”
ইসির জনসংযোগ পরিচালক এম আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, দলগুলোর কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো শুরু হয়েছে।
ইসির সংলাপসূচিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে ২৯ নভেম্বর এবং বিএনপির সঙ্গে ২ ডিসেম্বর বৈঠক হচ্ছে।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক জানান, সংলাপের প্রথম দিনে ২৬ নভেম্বর ৯টি, দ্বিতীয় দিন ২৮ নভেম্বর ৮টি, তৃতীয় দিন ২৯ নভেম্বর ৮টি এবং শেষ দিনে ২ ডিসেম্বর ১৩টি দলের নেতাদের সঙ্গে বসবে ইসি।
২৬ নভেম্বর যে দলগুলোর সঙ্গে ইসি বসবে, সে দলগুলো হচ্ছে- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, খেলাফত মজলিস, গণতন্ত্রী পার্টি, গণফ্রন্ট ও গণফোরাম।
২৮ নভেম্বর যে দলগুলোর সঙ্গে ইসি বসবে, সে দলগুলো হচ্ছে- জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, জাকের পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি), জাসদ, জেএসডি ও এনপিপি।
২৯ নভেম্বর যে দলগুলোর সঙ্গে ইসি বসবে, সে দলগুলো হচ্ছে- আওয়ামী লীগ, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও বিজেপি।
২ ডিসেম্বর যে দলগুলোর সঙ্গে ইসি বসবে, সে দলগুলো হচ্ছে- বিএনপি, সিপিবি, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাসদ, সাম্যবাদী দল, বিকল্পধারা, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও এলডিপি।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন