ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীর সন্ধানে করা রিট আবেদন গ্রহণে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের এক বিচারপতি।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বেঞ্চে এ রিট আবেদন করা হয়। এরপর বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ আবেদনটি শুনতে বিব্রতবোধ করেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
এ আবেদনটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি শুনানির জন্য একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। সরকারপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান।
এর আগে ৬ নভেম্বর সুখরঞ্জনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়। শুনানি শেষে গত মঙ্গলবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।
এরপর বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বেঞ্চে নতুন করে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।
তাজুল ইসলাম জানান, জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আবেদনটি শুনতে আগ্রহ দেখালেও কনিষ্ঠ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ বিব্রতবোধ করেন। এবং আবেদনটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। এখন নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি আবেদনটি শুনানির জন্য একটি নতুন বেঞ্চ গঠন করবেন।
প্রসঙ্গত, ৫ নভেম্বর সোমবার যুদ্ধাপরাধ মামলায় সুখরঞ্জনকে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী দাবি করে তাকে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার সময় সাদা পোশাকের পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন সাঈদীর আইনজীবীরা।
পর দিন মঙ্গলবার সুখরঞ্জনের বন্ধু আবুল কালাম আজাদ তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।
রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যাবের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা পুলিশ সুপার, ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা শাখা), শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কারা মহাপরিদর্শক, জেল সুপার, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার ও ঢাকার জেলা প্রশাসককে বিবাদী করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২৭ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৫, ২০১২
এমইএস/ সম্পাদনা: অশোকেশ রায়, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন