বহুল আলোচিত হলমার্ক ঋণকেলেঙ্কারির অভিযোগে গ্রেফতার গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা
পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদকে রিমান্ডের প্রথম দিনে
দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে আটটি মামলায় তাদের পক্ষে
করা জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন মহানগর হাকিম আব্দুস সালামের আদালত।
রমনা থানা থেকে পুলিশের গাড়িতে করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার বেলা একটা ১০ মিনিটে তাদের দুদক কার্যালয়ে নেয়া হয়। দুদকের তদন্ত দলের প্রধান ও সিনিয়র উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীসহ ছয় সদস্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর আগে ৮ অক্টোবর দুদকের করা তিন মামলায় আট দিন করে ২৪ দিন ও অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর হাকিম এরফানউল্লার আদালত এটি মঞ্জুর করেন।
ওই দিন সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুপুরে তানভীর মাহমুদ ও তুষার আহমেদকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে নেয়া হয়। এ সময় দুদক ১১টি মামলায় প্রতিটিতে ১০ দিন করে মোট ১১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করে। এর মধ্যে তিনটি মামলা আদালতে উপস্থাপিত হলে এসব মামলায় আট দিন করে মোট ২৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। আর বাকি মামলাগুলোর পর্যায়ক্রমে শুনানি হবে।
এছাড়া পল্লবী থানায় তানভীরের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আর হামলার অভিযোগে তানভীর মাহমুদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে র্যাব।
এর আগে সকালে তানভীর ও তুষারকে র্যাবের হেফাজত থেকে রমনা থানায় আনা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাদের দুদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর দুদক কার্যালয়ে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তানভীর ঋণ জালিয়াতির দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলী।
সোনালী ব্যাংকের ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় রোববার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে তানভীর মাহমুদ ও তুষার আহমেদকে গ্রেফতার করে র্যাব। ওই সময় তাদের কাছ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা, ম্যাগাজিন, গুলি এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার তানভীর মাহমুদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, দুর্নীতি এবং অর্থপাচারের দায়ে রমনা থানায় ১১টি মামলা করে দুদক। মামলায় সোনালী ব্যাংকের ২০ জন ও হলমার্কের সাত জনকে আসামি করা হয়েছে।জন্য
রমনা থানা থেকে পুলিশের গাড়িতে করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার বেলা একটা ১০ মিনিটে তাদের দুদক কার্যালয়ে নেয়া হয়। দুদকের তদন্ত দলের প্রধান ও সিনিয়র উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীসহ ছয় সদস্য তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর আগে ৮ অক্টোবর দুদকের করা তিন মামলায় আট দিন করে ২৪ দিন ও অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর হাকিম এরফানউল্লার আদালত এটি মঞ্জুর করেন।
ওই দিন সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে ২৫০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুপুরে তানভীর মাহমুদ ও তুষার আহমেদকে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে নেয়া হয়। এ সময় দুদক ১১টি মামলায় প্রতিটিতে ১০ দিন করে মোট ১১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করে। এর মধ্যে তিনটি মামলা আদালতে উপস্থাপিত হলে এসব মামলায় আট দিন করে মোট ২৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। আর বাকি মামলাগুলোর পর্যায়ক্রমে শুনানি হবে।
এছাড়া পল্লবী থানায় তানভীরের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আর হামলার অভিযোগে তানভীর মাহমুদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে র্যাব।
এর আগে সকালে তানভীর ও তুষারকে র্যাবের হেফাজত থেকে রমনা থানায় আনা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাদের দুদকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর দুদক কার্যালয়ে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তানভীর ঋণ জালিয়াতির দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলী।
সোনালী ব্যাংকের ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় রোববার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে তানভীর মাহমুদ ও তুষার আহমেদকে গ্রেফতার করে র্যাব। ওই সময় তাদের কাছ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা, ম্যাগাজিন, গুলি এবং একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার তানভীর মাহমুদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, দুর্নীতি এবং অর্থপাচারের দায়ে রমনা থানায় ১১টি মামলা করে দুদক। মামলায় সোনালী ব্যাংকের ২০ জন ও হলমার্কের সাত জনকে আসামি করা হয়েছে।জন্য


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন