বৃহস্পতিবার ভোরে উপকূলীয় অঞ্চলে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ ঝড়ে নোয়াখালীতে ১৩ জনের
প্রাণহানি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হাতিয়া উপজেলায় সাতজন,
কোম্পনীগঞ্জে চারজন ও সুবর্ণচর উপজেলায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়তে পারে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
এ ছাড়া ঝড়ে মেঘনা নদীতে হাতিয়া উপজেলার প্রায় ৫০টি মাছ ধরার ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে। ১৫ হাজারের বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েক হাজার গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহিদুর রহমান।
হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে দুইজন, চর কিংয়ে দুই, তমরুদ্দিতে, সোনাদিয়া ও কেরিংচরে একজন নিহত হয়েছে।
অন্যদিকে জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর কণক গ্রামে দুইজন মারা গেছে। এছাড়া কোম্পনীগঞ্জ উপজেলার স্বদ্বীপ চ্যানেলে বামনী নদীতে ভাসমান অবস্থায় চার জেলের লাশ পাওয়া গেছে।
এ দিকে সুবর্ণচর উপজেলায় মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নে ঝড়ে তিন শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রাজার শাইল ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ মেহেদী হাসান জানান, সুবর্ণচরের ১১ জেলা নিখোঁজ রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নগদ পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও ৯৩ টন চাল পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম।
স্থানীয়ভাবে রেড ক্রিসেন্ট থেকে দুর্যোগ সংক্রান্ত কোনো আগাম সতর্ক সঙ্কেত প্রচার না করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতো ব্যাপক হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে।
তারা বলছেন, “আগাম সঙ্কেত পেলে নদীতে মাছ ধরা ট্রলার ও স্থানীয় লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারত। দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমে রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের দেখা যায়নি।”
এ ছাড়া ঝড়ে মেঘনা নদীতে হাতিয়া উপজেলার প্রায় ৫০টি মাছ ধরার ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে। ১৫ হাজারের বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েক হাজার গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহিদুর রহমান।
হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে দুইজন, চর কিংয়ে দুই, তমরুদ্দিতে, সোনাদিয়া ও কেরিংচরে একজন নিহত হয়েছে।
অন্যদিকে জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর কণক গ্রামে দুইজন মারা গেছে। এছাড়া কোম্পনীগঞ্জ উপজেলার স্বদ্বীপ চ্যানেলে বামনী নদীতে ভাসমান অবস্থায় চার জেলের লাশ পাওয়া গেছে।
এ দিকে সুবর্ণচর উপজেলায় মোহাম্মদপুর ও চরক্লার্ক ইউনিয়নে ঝড়ে তিন শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত রাজার শাইল ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালিদ মেহেদী হাসান জানান, সুবর্ণচরের ১১ জেলা নিখোঁজ রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নগদ পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও ৯৩ টন চাল পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. সিরাজুল ইসলাম।
স্থানীয়ভাবে রেড ক্রিসেন্ট থেকে দুর্যোগ সংক্রান্ত কোনো আগাম সতর্ক সঙ্কেত প্রচার না করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতো ব্যাপক হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে।
তারা বলছেন, “আগাম সঙ্কেত পেলে নদীতে মাছ ধরা ট্রলার ও স্থানীয় লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারত। দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রমে রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের দেখা যায়নি।”


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন