অবৈধভাবে অর্থ হস্তান্তরের অভিযোগে করা দুদকের দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের
প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের জামিন আবেদনের শুনানির দিন
আগামী রোববার ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত এই দিন ধার্য করেন। আদালতে হারুন-অর-রশিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু।
আবদুল মতিন খসরু আদালতকে বলেন, হারুন-অর-রশিদ হূদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। হারুন-অর-রশিদকে কারাগারে পাঠানোর পর তাঁর স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে হাসপাতালে চিকিত্সাসেবা দেওয়া হবে বলে আইজি প্রিজনকে জানাবেন—আদালতকে অ্যাটর্নি জেনারেল এ নিশ্চয়তা দেন। এরপর আদালত রোববার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন।
এর আগে দুদকের ওই দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ সকালে তাঁরা নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। পরে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জহুরুল হক শুনানি শেষে তাঁদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এদিকে মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ওই দুই মামলায় ১০ দিন করে প্রত্যেককে ২০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান। এ ব্যাপারে আদালত কোনো আদেশ দেননি।
গত ৩১ জুলাই ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদ, এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে ১০ জন পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা অন্যত্র স্থানান্তরের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়।
গত ৬ আগস্ট ডেসটিনি গ্রুপের রফিকুল আমীন, হারুন-অর-রশিদ, মোহাম্মদ হোসাইন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক ও পরিচালক সাঈদ-উর রহমানকে জামিন দেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।
১৩ আগস্ট দুদক এই আদেশের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করে। ১২ সেপ্টেম্বর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আখতারুজ্জামান রিভিশন মঞ্জুর করে জামিন বাতিল করে দেন। পরদিন আসামিপক্ষে ভারপ্রাপ্ত বিচারকের ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করলে বিচারক জহুরুল হক ওই আদেশ বাতিল করে পুনরায় শুনানির আদেশ দেন। ৫ সেপ্টেম্বর ১৬ জন ও ৯ সেপ্টেম্বর একজন জামিন পান। এর মধ্য দিয়ে ওই দিন মামলার ২২ আসামির সবাই জামিনে মুক্তি পান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক রিভিশন করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক সব আসামির জামিন বাতিল করে দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: ডেসটিনির রফিকুল আমীনের স্ত্রী ফারাহ দীবা, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানি, জমসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়েবুর রহমান ও নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস; ডায়মন্ড বিল্ডার্স লিমিটেডের পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা—জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকরাম হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, সুমন আলী খান, সাইদুল ইসলাম খান ও আবুল কালাম আজাদ।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত এই দিন ধার্য করেন। আদালতে হারুন-অর-রশিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু।
আবদুল মতিন খসরু আদালতকে বলেন, হারুন-অর-রশিদ হূদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। হারুন-অর-রশিদকে কারাগারে পাঠানোর পর তাঁর স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে হাসপাতালে চিকিত্সাসেবা দেওয়া হবে বলে আইজি প্রিজনকে জানাবেন—আদালতকে অ্যাটর্নি জেনারেল এ নিশ্চয়তা দেন। এরপর আদালত রোববার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন।
এর আগে দুদকের ওই দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ সকালে তাঁরা নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন। পরে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জহুরুল হক শুনানি শেষে তাঁদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এদিকে মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ওই দুই মামলায় ১০ দিন করে প্রত্যেককে ২০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান। এ ব্যাপারে আদালত কোনো আদেশ দেননি।
গত ৩১ জুলাই ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদ, এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে ১০ জন পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা অন্যত্র স্থানান্তরের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়।
গত ৬ আগস্ট ডেসটিনি গ্রুপের রফিকুল আমীন, হারুন-অর-রশিদ, মোহাম্মদ হোসাইন, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক ও পরিচালক সাঈদ-উর রহমানকে জামিন দেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।
১৩ আগস্ট দুদক এই আদেশের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করে। ১২ সেপ্টেম্বর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আখতারুজ্জামান রিভিশন মঞ্জুর করে জামিন বাতিল করে দেন। পরদিন আসামিপক্ষে ভারপ্রাপ্ত বিচারকের ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করলে বিচারক জহুরুল হক ওই আদেশ বাতিল করে পুনরায় শুনানির আদেশ দেন। ৫ সেপ্টেম্বর ১৬ জন ও ৯ সেপ্টেম্বর একজন জামিন পান। এর মধ্য দিয়ে ওই দিন মামলার ২২ আসামির সবাই জামিনে মুক্তি পান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক রিভিশন করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক সব আসামির জামিন বাতিল করে দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: ডেসটিনির রফিকুল আমীনের স্ত্রী ফারাহ দীবা, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানি, জমসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়েবুর রহমান ও নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস; ডায়মন্ড বিল্ডার্স লিমিটেডের পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা—জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকরাম হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, সুমন আলী খান, সাইদুল ইসলাম খান ও আবুল কালাম আজাদ।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন