একদলীয় শাসন পাকাপোক্ত করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে সরকার দেশকে অস্থিতিশীল
করছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “ক্ষমতায় থাকার নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে সরকার উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে হীন অপচেষ্টা করে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে চায়।”’’
রামুর ঘটনাকে সরকারের নীল নকশার অংশ দাবি করে তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে সরকার সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকার একতরফাভাবে বিরোধী দলকে এ ঘটনায় দায়ি করলেও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও ছবিতে প্রমাণ হয়েছে যে, সরকারি দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা রামুর ঘটনায় জড়িত।”
দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, “অবিলম্বে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন। দেশকে সংঘাতের হাত থেকে বাচাঁন। অন্যথায় এর সব দায়দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।”
হলমার্কসহ সরকারের দুর্নীতির কারণে জনগণের নজর ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া দায়েরের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “বিরোধী নেতাদের রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে এ মামলা দেয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় মির্জা আব্বাসের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এতে অর্ধশতাধিক নামে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় আড়াই হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা সচেতনভাবে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি কিন্তু সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করছে।”
সরকারের কৌশলের সঙ্গে বিরোধী দলের আন্দোলনের কৌশলের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক এই নেতা বলেন, “যারা আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চায় তারা আমাদের আন্দোলনকে নিয়ে কথা বলবে। কিন্তু আমরা মনে করি আমাদের কৌশল ঠিক আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে।”
বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ অভিযোগ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “ক্ষমতায় থাকার নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে সরকার উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে হীন অপচেষ্টা করে দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে চায়।”’’
রামুর ঘটনাকে সরকারের নীল নকশার অংশ দাবি করে তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে সরকার সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকার একতরফাভাবে বিরোধী দলকে এ ঘটনায় দায়ি করলেও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও ছবিতে প্রমাণ হয়েছে যে, সরকারি দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা রামুর ঘটনায় জড়িত।”
দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, “অবিলম্বে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন। দেশকে সংঘাতের হাত থেকে বাচাঁন। অন্যথায় এর সব দায়দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।”
হলমার্কসহ সরকারের দুর্নীতির কারণে জনগণের নজর ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া দায়েরের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “বিরোধী নেতাদের রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে এ মামলা দেয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় মির্জা আব্বাসের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এতে অর্ধশতাধিক নামে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় আড়াই হাজার লোককে আসামি করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা সচেতনভাবে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি কিন্তু সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করছে।”
সরকারের কৌশলের সঙ্গে বিরোধী দলের আন্দোলনের কৌশলের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির অন্যতম নীতিনির্ধারক এই নেতা বলেন, “যারা আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চায় তারা আমাদের আন্দোলনকে নিয়ে কথা বলবে। কিন্তু আমরা মনে করি আমাদের কৌশল ঠিক আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে।”


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন