৩৩ম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়েছে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। পাঁচ লাখ টাকা দিলে সব প্রশ্নপত্র মিলবে, এমন
কথাও বলা হচ্ছে।
তবে সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি) এসব গুজবে পরীক্ষার্থীদের কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পিএসসি বলেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কাজেই কেউ অযথা প্রতারিত হবেন না।
চার হাজার ২০৬টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য এ বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত ১ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পৌনে দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। গত ২৮ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। আগামী ৭ অক্টোবর থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। আবশ্যিক নয়টি বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হবে ১৭ অক্টোবর। ২৮ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেবেন। মোট ২৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তাঁদের বলা হচ্ছে, তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা দিলেই পরীক্ষার দুই-এক দিন আগে সব প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবে। ছাত্রলীগের জহুরুল হক হল ও জগন্নাথ হলের কয়েকজন নেতা-কর্মী এই প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন, এমন কথাও বলা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র পাওয়ার আশায় বেশ কয়েকজনই টাকা দিয়েছেন। ওই পরীক্ষার্থীদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, বিষয়টি অতি গোপনীয়। অন্য কাউকে যেন জানানো না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই গুজবের কারণে ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রার্থী।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কারণ, এক একটি বিষয়ের অসংখ্য প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিট আগে লটারি করে ঠিক করা হবে কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। কাজেই পরীক্ষার্থীদের কাছে আমাদের অনুরোধ, আপনারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করুন।’
তবে সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি) এসব গুজবে পরীক্ষার্থীদের কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পিএসসি বলেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কাজেই কেউ অযথা প্রতারিত হবেন না।
চার হাজার ২০৬টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য এ বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত ১ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পৌনে দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। গত ২৮ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। আগামী ৭ অক্টোবর থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। আবশ্যিক নয়টি বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হবে ১৭ অক্টোবর। ২৮ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেবেন। মোট ২৬টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, ৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তাঁদের বলা হচ্ছে, তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা দিলেই পরীক্ষার দুই-এক দিন আগে সব প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবে। ছাত্রলীগের জহুরুল হক হল ও জগন্নাথ হলের কয়েকজন নেতা-কর্মী এই প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন, এমন কথাও বলা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র পাওয়ার আশায় বেশ কয়েকজনই টাকা দিয়েছেন। ওই পরীক্ষার্থীদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, বিষয়টি অতি গোপনীয়। অন্য কাউকে যেন জানানো না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই গুজবের কারণে ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রার্থী।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। কারণ, এক একটি বিষয়ের অসংখ্য প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিট আগে লটারি করে ঠিক করা হবে কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। কাজেই পরীক্ষার্থীদের কাছে আমাদের অনুরোধ, আপনারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান না দিয়ে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করুন।’


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন