জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘‘রামুর
ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা সব জানত। তাহলে আমাদের
গোয়েন্দা সংস্থা কি করলো। তারা সব বিষয় জানেন, কিন্তু সব তথ্য সবার জন্য
প্রকাশ করেন না। কার স্বার্থ রক্ষায় তারা এমনটা করে এ বিষয়ে সরকারকে সচেতন
হতে হবে।’’
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্যা পিপলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যক্টিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্য পিলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল।
তিনি বলেন, ‘‘কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি’। খবরের কাগজে যে ভাঙা মূর্তি দেখেছি, তা আসলে বুদ্ধের মূর্তি নয়, তা সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাক্ত প্রতিচ্ছবি। যা আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে কালিমা লেপন করেছে।”
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনি সর্ম্পকে তিনি বলেন, “একদিকে ধর্মনিরপেক্ষ আর অপর দিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে যে গোজামিল রাখা হয়েছে এ ধরনের ঘটনা তারই প্রতিফলন।” গোজামিল দিয়ে কোনো কাজ কোনো দিন শুভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মানবাধিকার কমিশন আগামী শুক্রবার রামুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, “সেখানে স্থানীয় জনসাধারণ ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।”
পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, “এই চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে অনেকে এটার পরিবর্তন ও সংশোধন করার কথা বলছেন। এমনটা করা হলে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আমরা ওই চুক্তির বাস্তবায়ন দাবি করছি, ওই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে যেসব বির্তকের জন্ম হয়েছে তা অনেকটাই কমে যাবে।’’
সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম ও মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. নীরুপমা চাকমা।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্যা পিপলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যক্টিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে ‘উইনিভার্সেল পিরিওডিক রিভিউ (ইউপিআর): রাইটস অব দ্য পিলস অব চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল।
তিনি বলেন, ‘‘কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাত্ব প্রতিচ্ছবি’। খবরের কাগজে যে ভাঙা মূর্তি দেখেছি, তা আসলে বুদ্ধের মূর্তি নয়, তা সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের রক্তাক্ত প্রতিচ্ছবি। যা আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে কালিমা লেপন করেছে।”
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনি সর্ম্পকে তিনি বলেন, “একদিকে ধর্মনিরপেক্ষ আর অপর দিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রেখে যে গোজামিল রাখা হয়েছে এ ধরনের ঘটনা তারই প্রতিফলন।” গোজামিল দিয়ে কোনো কাজ কোনো দিন শুভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মানবাধিকার কমিশন আগামী শুক্রবার রামুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, “সেখানে স্থানীয় জনসাধারণ ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সুপারিশ করা হবে।”
পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পর্কে মিজানুর রহমান বলেন, “এই চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে অনেকে এটার পরিবর্তন ও সংশোধন করার কথা বলছেন। এমনটা করা হলে সেটি হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আমরা ওই চুক্তির বাস্তবায়ন দাবি করছি, ওই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে যেসব বির্তকের জন্ম হয়েছে তা অনেকটাই কমে যাবে।’’
সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম ও মানবাধিকার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. নীরুপমা চাকমা।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন