১৫০ কোটি মুসলমান বাদ দিয়ে স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে
মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার গাজীপুরে ইসলামিক
ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ২৬ তম সমাবর্তনে তিনি এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, “পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ১৫০ কোটি মুসলমানের জীবনপ্রণালী এবং তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে কোনো স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।”
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে উন্নত বিশ্বের ন্যায় বিচারের সম্পর্ক স্থাপনে ওআইসিভুক্ত ৫৭টি দেশের ভাতৃত্বের বন্ধন বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের ফলে গোটা বিশ্ব, বিশেষ করে উন্নত বিশ্ব বুঝতে পেরেছে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত জরুরি।”
এছাড়া ওআইসিভুক্ত দেশগুলো এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে গভীর ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, “বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য আমাদের অন্যতম কর্তব্য হচ্ছে অন্যের প্রয়োজনের প্রতি দৃষ্টি দেয়া এবং ন্যায় বিচার এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমঝোতা ও স্বার্থতার মানসিকতা গড়ে তোলা। তবে আমরা আমাদের প্রজন্মের জন্য এবটি সুন্দর, শান্তিময়, উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলতে পারবো।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সবশেষে এ বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি। সেইসঙ্গে সনদপ্রাপ্ত গ্রেজুয়েটদের কর্ম জীবন উজ্জ্বল হোক, সফল হোক সেই দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে।”
স্নাতক ডিগ্রিপ্রাপ্তির শিক্ষা পেশাগত জীবনে একাগ্রতার সঙ্গে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ১০টায় গাজীপুরের আইইউটি ক্যম্পাসে পৌঁছান তিনি। সেখানে ১৫টি দেশের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর যোগ দেয়া এ সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী সমাবর্তনে কৃতি শিক্ষার্থীদের পদক পরিয়ে দেন।
তবে বেসরকারি কোনো গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে না দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেননি গনমাধ্যমকর্মীরা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বেসরকারি গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয় শুধু সরকারি গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ ধারণ করবে। বেসরকারি গণমাধ্যম চাইলে তাদের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে।
আর প্রেস উইং এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও অনির্দিষ্টকালের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, “পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ১৫০ কোটি মুসলমানের জীবনপ্রণালী এবং তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে কোনো স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।”
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে উন্নত বিশ্বের ন্যায় বিচারের সম্পর্ক স্থাপনে ওআইসিভুক্ত ৫৭টি দেশের ভাতৃত্বের বন্ধন বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলেও তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের ফলে গোটা বিশ্ব, বিশেষ করে উন্নত বিশ্ব বুঝতে পেরেছে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন অত্যন্ত জরুরি।”
এছাড়া ওআইসিভুক্ত দেশগুলো এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে গভীর ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, “বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য আমাদের অন্যতম কর্তব্য হচ্ছে অন্যের প্রয়োজনের প্রতি দৃষ্টি দেয়া এবং ন্যায় বিচার এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমঝোতা ও স্বার্থতার মানসিকতা গড়ে তোলা। তবে আমরা আমাদের প্রজন্মের জন্য এবটি সুন্দর, শান্তিময়, উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলতে পারবো।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সবশেষে এ বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি। সেইসঙ্গে সনদপ্রাপ্ত গ্রেজুয়েটদের কর্ম জীবন উজ্জ্বল হোক, সফল হোক সেই দোয়া করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে।”
স্নাতক ডিগ্রিপ্রাপ্তির শিক্ষা পেশাগত জীবনে একাগ্রতার সঙ্গে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ১০টায় গাজীপুরের আইইউটি ক্যম্পাসে পৌঁছান তিনি। সেখানে ১৫টি দেশের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর যোগ দেয়া এ সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী সমাবর্তনে কৃতি শিক্ষার্থীদের পদক পরিয়ে দেন।
তবে বেসরকারি কোনো গণমাধ্যমকে প্রবেশ করতে না দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে পারেননি গনমাধ্যমকর্মীরা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে বেসরকারি গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয় শুধু সরকারি গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ ধারণ করবে। বেসরকারি গণমাধ্যম চাইলে তাদের কাছ থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে।
আর প্রেস উইং এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও অনির্দিষ্টকালের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন