মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের (এমএলএম) মাধ্যমে সাত কোটি টাকা প্রতারণা ও
আত্মসাতের মামলায় বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক মাহাথীর
ফারুকী ও তার স্ত্রী সিনথিয়া আলমগীরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাজধানীর কলাবাগান থানায় দায়ের করা এ মামলায় আসামিরা আগে থেকে জামিনে ছিলেন।
আদালতের আদেশের পর আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মিজানুর রহমান। তবে জামিনের এই আবেদন নাকচ করে দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
এছাড়া মাহাথীর ফারুকীর আইনজীবী হাকিমের আদেশ পুনর্বিবেচনা করে জামিন দেয়ারও আবেদন করেন। এ আবেদনও নাকচ করে দেন আদালত।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এমএলএম কোম্পানি গ্লোবান মানি সুইম ও এশিয়ান কিংয়ের নামে সাত কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন মাহাথীর ফারুকী ও সিনথিয়া আলমগীর।
কলাবাগান থানায় মামলার এজহারে বলা হয়েছে, ঢাকার পান্থপথ ৬৮/৬৯ কনসেপ্ট টাওয়ারে গ্লোবাল মানি সুইম মিথ্যা প্রলোভন ও অসাধুভাবে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক আনুমানিক জনপ্রতি ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে সর্বমোট সাত কোটি টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছে। তারা গ্রাহকদের প্রাথমিক বিনিয়োগের পরবর্তী মাস থেকে ছয়টি সমান কিস্তিতে বিনিয়োগের দ্বিগুণ টাকা পরবর্তী ছয় মাসে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ওই নামসর্বস্ব ইন্টারনেট কোম্পানির অফিসটি সুকৌশলে বন্ধ করে আকস্মিকভাবে কোম্পানির অফিসটি তালাবদ্ধ করে তারা পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাজধানীর কলাবাগান থানায় দায়ের করা এ মামলায় আসামিরা আগে থেকে জামিনে ছিলেন।
আদালতের আদেশের পর আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মিজানুর রহমান। তবে জামিনের এই আবেদন নাকচ করে দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
এছাড়া মাহাথীর ফারুকীর আইনজীবী হাকিমের আদেশ পুনর্বিবেচনা করে জামিন দেয়ারও আবেদন করেন। এ আবেদনও নাকচ করে দেন আদালত।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এমএলএম কোম্পানি গ্লোবান মানি সুইম ও এশিয়ান কিংয়ের নামে সাত কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন মাহাথীর ফারুকী ও সিনথিয়া আলমগীর।
কলাবাগান থানায় মামলার এজহারে বলা হয়েছে, ঢাকার পান্থপথ ৬৮/৬৯ কনসেপ্ট টাওয়ারে গ্লোবাল মানি সুইম মিথ্যা প্রলোভন ও অসাধুভাবে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক আনুমানিক জনপ্রতি ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে সর্বমোট সাত কোটি টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছে। তারা গ্রাহকদের প্রাথমিক বিনিয়োগের পরবর্তী মাস থেকে ছয়টি সমান কিস্তিতে বিনিয়োগের দ্বিগুণ টাকা পরবর্তী ছয় মাসে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ওই নামসর্বস্ব ইন্টারনেট কোম্পানির অফিসটি সুকৌশলে বন্ধ করে আকস্মিকভাবে কোম্পানির অফিসটি তালাবদ্ধ করে তারা পালিয়ে যায়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন