সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দপ্তরবিহীন মন্ত্রী’ রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করেছে হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেন।
আদালতে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক।
রিটে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করে রাখাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বন্ধের জন্য আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়।
এই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়।
গত ৭ অক্টোবর এ আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
রিটের পক্ষে রিটকারী আইনজীবী নিজেই শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।
২৭ সেপ্টেম্বর ড. তুহিন মালিক এ আবেদনটি ফাইল করেন। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ আবেদনটি শুনতে বিব্রতবোধ করেন। পরে আবেদনটি বিচারপতি নাঈমা হায়দারের বেঞ্চে নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেন।
আদালতে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক।
রিটে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করে রাখাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই পদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বন্ধের জন্য আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চাওয়া হয়।
এই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়।
গত ৭ অক্টোবর এ আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
রিটের পক্ষে রিটকারী আইনজীবী নিজেই শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।
২৭ সেপ্টেম্বর ড. তুহিন মালিক এ আবেদনটি ফাইল করেন। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের বেঞ্চ আবেদনটি শুনতে বিব্রতবোধ করেন। পরে আবেদনটি বিচারপতি নাঈমা হায়দারের বেঞ্চে নেয়া হয়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন