ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব আরকে সিং বলেছেন, বিএসএফ আত্মরক্ষার্থেই সীমান্তে
গুলি চালায়। হত্যার শিকার বেশিরভাগই চোরাকারবারী। সীমান্তে হত্যা নিয়ে ভারত
সরকারও উদ্বিগ্ন।
সোমবার বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি দল ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনকালে ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব সিকিউএম মোস্তাক আহামেদ বলেন, “দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাড়াতে সীমান্তের নিরাপত্তা, স্থলবন্দরগুলোর সমস্যা সমাধান ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। চোরাচালান ও সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিবন্ধে পদক্ষেপ নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরো আলোচনা হবে। আশা করছি বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রতিনিধি দলে ১৬ জন সদস্য রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে রয়েছে ছয়জন। এদের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রসচিব সিকিউএম মোস্তাক আহামেদ। ভারতের নেতৃত্ব দেন সেদেশের স্বরাষ্ট্রসচিব আরকে সিং।
সকালে হেলিকপ্টারযোগে তারা আখাউড়া পৌছেন এবং আখাউড়া ফকিরমোড়া বিজিবি ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে তারা আগরতলা যান।
সোমবার বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি দল ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনকালে ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব সিকিউএম মোস্তাক আহামেদ বলেন, “দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাড়াতে সীমান্তের নিরাপত্তা, স্থলবন্দরগুলোর সমস্যা সমাধান ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। চোরাচালান ও সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিবন্ধে পদক্ষেপ নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরো আলোচনা হবে। আশা করছি বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রতিনিধি দলে ১৬ জন সদস্য রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে রয়েছে ছয়জন। এদের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রসচিব সিকিউএম মোস্তাক আহামেদ। ভারতের নেতৃত্ব দেন সেদেশের স্বরাষ্ট্রসচিব আরকে সিং।
সকালে হেলিকপ্টারযোগে তারা আখাউড়া পৌছেন এবং আখাউড়া ফকিরমোড়া বিজিবি ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে তারা আগরতলা যান।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন