পিলখানা বিদ্রোহ ঘটনার আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্য
শেখ ফজলুল করিম সেলিমের কাছে তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে গিয়েছিলেন কজন
বিডিআর জওয়ান। পরে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়।
সোমবার রাজধানীর আলিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন মাঠে ঢাকার জজ আদালতের বিশেষ এজলাসে পিলখানা হত্যা মামলায় দেয়া সাক্ষ্যে শেখ সেলিম এসব কথা জানান।
বিশেষভাবে গঠিত এ আদালতের জবানবন্দিতে তিনি জানান, ‘‘১৩ ফেব্রুয়ারি (২০০৯) সন্ধ্যায় আমার বাসায় গণসাক্ষাতের সময় কজন বিডিআর সদস্যও আসেন। তাদের মধ্যে ছয়-সাত জন বাসায় ঢোকেন। অন্যরা বাইরে ছিলেন।’’
যারা বাসায় ঢোকেন তারা কারা- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের এই দলে ডিএডি হাবিব ও তৌহিদ এবং সিপাহী সেলিম, মঈন, তারেক ও আইয়ুব ছিলেন।
‘‘বিডিআর সদস্যরা লিখিতভাবে রেশন, পরিবহন, ছুটি, সন্তানদের লেখাপড়া ও জাতিসংঘ মিশনে যাওয়ার সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার দাবি করেছিলেন। তখন তাদের আমি বলেছিলাম, বিষয়টি আসলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে।’’
২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর যে ১৪ বিডিআর সদস্য আলোচনার জন্য সন্ধ্যায় প্রধামন্ত্রীর বাসভবন যমুনায় যান, তাদের মধ্যে ১৩ ফেব্রুয়ারির সাক্ষাৎকারীরাও ছিলেন বলে জানান তিনি।
বিডিআর জওয়ানরা যেসব দাবির কথা বলেছিলেন, সেগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে পরে মিডিয়া কর্মীদের কাছে শেখ সেলিম জানান, ‘‘নানা জন নানা সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসে। কিন্তু তাদের এই দাবিগুলো নিয়ে যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটবে তা তো কারো জানা ছিল না।’
সকাল সাড়ে ৯টায় আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর জনাব সেলিম তার জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন। এরপর তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। শেখ সেলিমের পর সাংবাদিক মুন্নী সাহা আদালতে সাক্ষ্য দেন।
সোমবার রাজধানীর আলিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন মাঠে ঢাকার জজ আদালতের বিশেষ এজলাসে পিলখানা হত্যা মামলায় দেয়া সাক্ষ্যে শেখ সেলিম এসব কথা জানান।
বিশেষভাবে গঠিত এ আদালতের জবানবন্দিতে তিনি জানান, ‘‘১৩ ফেব্রুয়ারি (২০০৯) সন্ধ্যায় আমার বাসায় গণসাক্ষাতের সময় কজন বিডিআর সদস্যও আসেন। তাদের মধ্যে ছয়-সাত জন বাসায় ঢোকেন। অন্যরা বাইরে ছিলেন।’’
যারা বাসায় ঢোকেন তারা কারা- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের এই দলে ডিএডি হাবিব ও তৌহিদ এবং সিপাহী সেলিম, মঈন, তারেক ও আইয়ুব ছিলেন।
‘‘বিডিআর সদস্যরা লিখিতভাবে রেশন, পরিবহন, ছুটি, সন্তানদের লেখাপড়া ও জাতিসংঘ মিশনে যাওয়ার সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার দাবি করেছিলেন। তখন তাদের আমি বলেছিলাম, বিষয়টি আসলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে।’’
২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর যে ১৪ বিডিআর সদস্য আলোচনার জন্য সন্ধ্যায় প্রধামন্ত্রীর বাসভবন যমুনায় যান, তাদের মধ্যে ১৩ ফেব্রুয়ারির সাক্ষাৎকারীরাও ছিলেন বলে জানান তিনি।
বিডিআর জওয়ানরা যেসব দাবির কথা বলেছিলেন, সেগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে পরে মিডিয়া কর্মীদের কাছে শেখ সেলিম জানান, ‘‘নানা জন নানা সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসে। কিন্তু তাদের এই দাবিগুলো নিয়ে যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটবে তা তো কারো জানা ছিল না।’
সকাল সাড়ে ৯টায় আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর জনাব সেলিম তার জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন। এরপর তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। শেখ সেলিমের পর সাংবাদিক মুন্নী সাহা আদালতে সাক্ষ্য দেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন