ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন অর্থ আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগ স্বীকার করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহানগর হাকিম সাইফুর রহমান ও হারুন অর রশীদ তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
দুদক জিআরও জানিয়েছে, তারা মামলার অভিযোগের সব বক্তব্য সমর্থন করে দুই মামলাতেই মুদ্রা স্থানান্তরের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
১৮ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই জবানবন্দি এমএলএম কোম্পানি ডেসটিনির এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তা জবানবন্দি দিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগে দুদকের করা দুটি মামলায় গত ১১ অক্টোবর ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নাকচ করে ডেসটিনির এই দুই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত। সেদিনই জ্ঞিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নেয়ার আবেদন করা হয়।
গত ১৪ অক্টোবর ওই আবেদনের শুনানি শেষে দুই মামলায় নয় দিন করে প্রত্যেককে ১৮ দিনের হেফাজতে নেয়ার আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম এরফানউল্লাহ।
সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় এই দুই জনসহ ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক।
ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লান্টেশেন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ পাচারের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারি পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি দায়ের করেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন