ডেসটিনি পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলমের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিদারুল আলমকে আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুদক ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।
মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদের আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের দুদক শাখার কর্মকর্তা আব্দুস সালাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুর পৌনে দু’টায় রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসের ২৪ নম্বর রোডের ৩৪০ নম্বর বাসা থেকে কাফরুল থানা পুলিশের সহযোগিতায় দিদারুলকে গ্রেফতার করা করে দুদক।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের পরিচালক লে. কর্নেল (অব) দিদারুল আলম ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে থেকে জামিন পান।
ওইদিন ডেসটিনির অপর পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ সানি, মিসেস ফারাহ দীবা, মিসেস জমসেদ আরা চৌধুরী, নেপাল চন্দ বিশ্বাস, ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়বুর রহমান, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকরাম হোসেন সুমন, মিসেস শিরিন আক্তার, মো: রফিকুল ইসলাম সরকার, মো: মজিবুর রহমান, মো: সুমন আলী খান ও মো: সাইদুল ইসলাম খান ওরফে রুবেলও একই আদালত থেকে জামিন পান।
কিন্তু গত ২৭ সেপ্টেম্বর ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন অর রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনির শীর্ষ কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দেওয়া জামিন বাতিল করে অবিলম্বে তাদের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। ওইদিন থেকেই দিদারুল আলম পলাতক ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার নামে রাজধানীর কলাবাগ থানায় দুটি মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগ করা হয় করা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে মাত্র ৫৬ লাখ ও ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা পাওয়া গেছে।
ডেসটিনির পরিচালকরা ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেড থেকে ব্যবস্থাপনা কমিটির সহায়তায় নিজেদের ইচ্ছামাফিক আসামিদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ডেসটিনি গ্রুপের অলাভজনক কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে স্থানান্তর করে বাকি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন