হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সোনালী
ব্যাংকের সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ কে এম আজিজুর রহমানকে প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি সোনালী ব্যাংকের রূপসী
বাংলা হোটেল (সাবেক শেরাটন) শাখার সাবেক ম্যানেজার।
ডিএমপির রমনা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার এ ব্যাংক কর্মকর্তাকে দুদকের ৬ সদস্যের একটি টিম বেলা ১টা ৪০ মিনিটের এর দিকে সেগুনবাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসে। এতে নেতৃত্ব দেন দুদকের জ্যেষ্ঠ উপ পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী।
দুদক সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হবে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানায় ওই সূত্র।
রোববার রাতে রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব-৩।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সন্দেহের তালিকায় থাকা ব্যাংকটির অন্য কর্মকর্তারাও কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। যে কোনো মুহূর্তে তাদের গ্রেফতার করা হতে পারে।
চলতি মাসের ৪ সেপ্টেম্বর তারিখে আজিজুর রহমানসহ হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবিরকে আসামি করে মোট ২৭ জনের নামে রমনা থানায় মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আলোচিত হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মোট ১১টি মামলা করেছে দুদক।
ডিজিএম একেএম আজিজুর রহমান ছাড়াও মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ, তানভীরের স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও গ্রুপের জিএম তুষার আহমেদ, সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখার শাখার এসইও সাইফুল হাসান, ইও আবদুল মতিন, ব্যাংকের ডিএমডি কাজী ফখরুল ইসলাম, আতিকুর রহমান, জিএম নওশের আলী খন্দকার, মাহবুবুল হক, আনম মাসরুরুল হুদা সিরাজী, মোস্তফিজুর রহমান, ননীগোপাল নাথ, মীর মহিদুর রহমান। এদের সবাই কড়া নজরদারিতে রয়েছেন।
জানা গেছে, রূপসী বাংলা শাখা থেকে হলমার্ক গ্রুপসহ ৬টি কোম্পানি আত্মসাৎ করেছে মোট ৩ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে হলমার্ক এককভাবে আত্মসাৎ করেছে দুই হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন