রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যুগ্ম-মহাসচিব দপ্তর
সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও
সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরবসহ শতাধিক নেতাকর্মী অবরুদ্ধ হয়ে আছেন বলে
জানা গেছে।
মঙ্গলবার দিনগত রাত পৌনে ২টায় রিজভী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমরা অবরুদ্ধ হয়ে আছি। বসে রাত কাটাচ্ছি। দলের কোনো নেতাকর্মী বাইরে বের হতে গেলেই তাদের আটক করা হচ্ছে।”
এখন পর্যন্ত শতাধিক নেতাকর্মীকে কার্যালয়ের গেট থেকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রিজভী আরো বলেন, “সরকার আমাদের একটি ভীতিকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।”
এর আগে বিকেলে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর থেকেই পুলিশ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রেখেছে। এখন গ্রেফতার এড়াতেই নেতারা কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হচ্ছেন না বলে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে যুবদলের নির্বাহী কমিটি সদস্য গিয়াস উদ্দিন মামুন রাত দেড়টায় জানিয়েছেন,"যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী পল্টন অফিসে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন"।
দলের যুগ্মমহাসচিব ও দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী আহমেদও কার্যালয়ে অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বিকেলের দিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে আসার পথে স্কাউট ভবনের সামনে একটি জিপে আগুন দেওয়ার পর নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে।
এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ালশেল নিক্ষেপ করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে নয়াপল্টন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এ ঘটনার পর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রিভজীসহ শতাধিক নেতা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আটকা পড়েন।
রাত ২টা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিএনপি কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দিনগত রাত পৌনে ২টায় রিজভী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমরা অবরুদ্ধ হয়ে আছি। বসে রাত কাটাচ্ছি। দলের কোনো নেতাকর্মী বাইরে বের হতে গেলেই তাদের আটক করা হচ্ছে।”
এখন পর্যন্ত শতাধিক নেতাকর্মীকে কার্যালয়ের গেট থেকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রিজভী আরো বলেন, “সরকার আমাদের একটি ভীতিকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।”
এর আগে বিকেলে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর থেকেই পুলিশ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রেখেছে। এখন গ্রেফতার এড়াতেই নেতারা কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হচ্ছেন না বলে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে যুবদলের নির্বাহী কমিটি সদস্য গিয়াস উদ্দিন মামুন রাত দেড়টায় জানিয়েছেন,"যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী পল্টন অফিসে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন"।
দলের যুগ্মমহাসচিব ও দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী আহমেদও কার্যালয়ে অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, বিকেলের দিকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে আসার পথে স্কাউট ভবনের সামনে একটি জিপে আগুন দেওয়ার পর নয়াপল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে।
এসময় উভয়পক্ষে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ালশেল নিক্ষেপ করতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে নয়াপল্টন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এ ঘটনার পর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রিভজীসহ শতাধিক নেতা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আটকা পড়েন।
রাত ২টা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিএনপি কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশ।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন