দেশের অর্থনেতিক খাতে বিভিন্ন নেতিবাচক ঘটনার পর বিভিন্ন মহল থেকে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের কথা উঠলেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তিনি বলেছেন, “বিভিন্ন মহল থেকে আমার রেজিগনেশনের জন্য কথাবার্তা হচ্ছে, চিঠিপত্র আসছে, আমি সেগুলো দেখছি। এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।”
দশদিন ব্যাপী চীন সফরে যাওয়ার প্রাক্কালে রোববার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ে দেশের অর্থনৈতিক সেক্টরে বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
হলমার্ক কেলেঙ্কারিকে তিনি ‘ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের জালিয়াতি’ উল্লেখ করে বলেন, “এর সঙ্গে হলমার্ক ও সোনালী ব্যাংকের সবাই কমবেশি জড়িত। জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে মামলা হওয়া উচিত। কারণ যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারা দেশ ছেড়ে পালানোর ফন্দিফিকির করছে।”
এর আগে হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, “চার হাজার’ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি বড় কোনো ঘটনা নয়।”
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে আমি এখনও আশাবাদী।”
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান পদত্যাগ করবেন কিনা বা তাকে পদত্যাগ করতে বলা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা কাউকে পদত্যাগ করতে বলিনি। আবুল হোসেনকেও বলিনি। তিনি একজন রাজনীতিবিদ। তিনি হয়তো স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।”
অর্থমন্ত্রী নিজের প্রসঙ্গে কিছু কথা বলেন, তবে তা অফ দ্য রেকর্ড উল্লেখ করে তা না লেখার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।
হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “হলমার্কের মতো বিষয়ে এক হাতে তালি বাজে না। এখানে সকলেরই কিছু দোষ আছে। তারপরও একটা বিষয়ে সবাইকে সাবধান হওয়া উচিত। ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ধস’ এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের বক্তব্যের প্রভাব পড়ে বিদেশে।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “ইতোপূর্বে আমি একটি ভুল মন্তব্য করেছিলাম। আমাদের বাৎসরিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর তুলনায় ৪ হাজার কোটি টাকা সামান্য। কিন্তু শুধু সোনালী ব্যাংক বা একটি শাখার জন্য তা অসাধারণ।”
প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, “দ্রুত পদক্ষেপ অনেক সময় খুব ভালো, আবার অনেক সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সাক্ষী পাওয়া যায় না। ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় কোনো সাক্ষী পাওয়া যায়নি। আমাদের দেশে দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে এমন মামলার সংখ্যা সীমিত। আজ কৃষি ব্যাংকেও এরকম একটি দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। তবে এটা হলমার্কের মতো এতো বড় নয়।”
তিনি বলেন, “এসব ঘটনার জন্য অনেকে ‘রাজনৈতিক নিয়োগ’কে দায়ী করেন। কিন্তু এগুলো আপত্তিকর, রাজনৈতিক ও ঢালাও মন্তব্য এবং আমার কাছে তা হুইপিং হর্স বলে মনে হয়। ভালো-মন্দ সবখানেই আছে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তো থাকবেই। সুতরাং এটা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ঢালাও আক্রমণ আমার পছন্দ নয়।”
হলমার্ক কেলেঙ্কারি পর সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের পুনঃনিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বোর্ডে যাতে কোরাম হয় সেজন্য তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হবে।”
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যঃ
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের বিষয়ে আমি আশাবাদী। এডিবি ও জাইকা সময় বাড়িয়েছে, আশা করছি এর একটা সুষ্ঠু সমাধান হবে। যখন হবে তখন আপনাদের জানাবো।”
প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে যেটুকু আলোচনা সেটা শেষ। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন বিষয়টি এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে, যেখান থেকে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি। আলোচনার বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে কীভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়। এছাড়া টেন্ডার নিয়েও আলোচনা হয়েছে।”
বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “তাদের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমি এখনো মনে করি, পদ্মাসেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি এবং হবেও না। দুর্নীতি যে হয়নি সেটা তাদের কথাতেই রয়েছে। তারা বলেছেন, হতে পারে। তারা সেই সম্ভাবনাকে রহিত করার চেষ্টা চালিয়েছেন, আমরাও সেই প্রচেষ্টায় ব্রত। সুতরাং আমাদের মধ্যে ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েছেই। এটা হয়ে গেলেই আমি আশা করছি এ মাসের মধ্যে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। বিশ্বব্যাংক কবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে সেটা তাদের বিষয়।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “এছাড়া সরকারের বিকল্প ব্যবস্থা তো রয়েছেই। সেটা শুরু করতে বেশি দেরি হবে না।
পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ড. মসিউরের পদত্যাগ প্রসঙ্গে ‘নো কমেন্ট’ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা কাউকেই পদত্যাগ করতে বলিনি। বিশ্বব্যাংক চেয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নের এ পর্যায়ে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না।
মালয়েশিয়ার প্রস্তাব সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক’দিন পরপরই তারা বলে যে, এটা তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব। কিন্তু চূড়ান্ত প্রস্তাব আর চূড়ান্ত হয় না। এদিক সেদিক ফাঁক থেকে যায়। তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবটিও সেরকমই। এটা একটা সমস্যা।”
পদত্যাগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যঃ
পদত্যাগের বিষয়ে বিভিন্ন মহলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “আমার পদত্যাগের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে বলা হচ্ছে, চিঠিপত্র আসছে, আমি এগুলো দেখছি। কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।”
এর আগে পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আছেন আগুনের মধ্যে, আমার মতোই। কিন্তু আগুন দেখে তো পালিয়ে গেলে হবে না। আগুন নেভানো দরকার। শারীরিক অবস্থার কারণে আমিও গত ৯ মাস ধরে পালিয়ে যেতে চাচ্ছি, সরকার থেকে বেরিয়ে যেতে চাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “তবে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় আমাকে রেখে সম্মানিত করেছেন, এখানে কাজ করার সুযোগও আছে। সুতরাং এটা (পদত্যাগ) নিয়ে বেশি লেখালিখি করা উচিত হবে না।”
পদত্যাগের বিষয়ে বিভিন্ন মহলের দাবির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজারে তো এটাই দাবি, ফখরুল ইসলাম সাহেব আছেন, উনার বক্তব্য শুরু ও শেষ হয় এটা দিয়েই। ‘তবে তিনি প্রায়ই অসত্য বক্তব্য দেন’ এমন মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি ওনাকে খুব বেশি চিনি না। একটু একটু পরিচয় আছে। কিন্তু আমি দেখি ওনার স্টাইলটা এরকম যে, অসত্যটা উনি খুব ভালো করে সামনে তুলে ধরেন।
তিনি বলেছেন, “বিভিন্ন মহল থেকে আমার রেজিগনেশনের জন্য কথাবার্তা হচ্ছে, চিঠিপত্র আসছে, আমি সেগুলো দেখছি। এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।”
দশদিন ব্যাপী চীন সফরে যাওয়ার প্রাক্কালে রোববার দুপুরে অর্থমন্ত্রণালয়ে দেশের অর্থনৈতিক সেক্টরে বিভিন্ন ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
হলমার্ক কেলেঙ্কারিকে তিনি ‘ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের জালিয়াতি’ উল্লেখ করে বলেন, “এর সঙ্গে হলমার্ক ও সোনালী ব্যাংকের সবাই কমবেশি জড়িত। জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে মামলা হওয়া উচিত। কারণ যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারা দেশ ছেড়ে পালানোর ফন্দিফিকির করছে।”
এর আগে হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, “চার হাজার’ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি বড় কোনো ঘটনা নয়।”
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে আমি এখনও আশাবাদী।”
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান পদত্যাগ করবেন কিনা বা তাকে পদত্যাগ করতে বলা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা কাউকে পদত্যাগ করতে বলিনি। আবুল হোসেনকেও বলিনি। তিনি একজন রাজনীতিবিদ। তিনি হয়তো স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।”
অর্থমন্ত্রী নিজের প্রসঙ্গে কিছু কথা বলেন, তবে তা অফ দ্য রেকর্ড উল্লেখ করে তা না লেখার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।
হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “হলমার্কের মতো বিষয়ে এক হাতে তালি বাজে না। এখানে সকলেরই কিছু দোষ আছে। তারপরও একটা বিষয়ে সবাইকে সাবধান হওয়া উচিত। ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ধস’ এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের বক্তব্যের প্রভাব পড়ে বিদেশে।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “ইতোপূর্বে আমি একটি ভুল মন্তব্য করেছিলাম। আমাদের বাৎসরিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর তুলনায় ৪ হাজার কোটি টাকা সামান্য। কিন্তু শুধু সোনালী ব্যাংক বা একটি শাখার জন্য তা অসাধারণ।”
প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, “দ্রুত পদক্ষেপ অনেক সময় খুব ভালো, আবার অনেক সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সাক্ষী পাওয়া যায় না। ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় কোনো সাক্ষী পাওয়া যায়নি। আমাদের দেশে দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে এমন মামলার সংখ্যা সীমিত। আজ কৃষি ব্যাংকেও এরকম একটি দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। তবে এটা হলমার্কের মতো এতো বড় নয়।”
তিনি বলেন, “এসব ঘটনার জন্য অনেকে ‘রাজনৈতিক নিয়োগ’কে দায়ী করেন। কিন্তু এগুলো আপত্তিকর, রাজনৈতিক ও ঢালাও মন্তব্য এবং আমার কাছে তা হুইপিং হর্স বলে মনে হয়। ভালো-মন্দ সবখানেই আছে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তো থাকবেই। সুতরাং এটা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ঢালাও আক্রমণ আমার পছন্দ নয়।”
হলমার্ক কেলেঙ্কারি পর সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের পুনঃনিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বোর্ডে যাতে কোরাম হয় সেজন্য তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হবে।”
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যঃ
পদ্মাসেতু প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের বিষয়ে আমি আশাবাদী। এডিবি ও জাইকা সময় বাড়িয়েছে, আশা করছি এর একটা সুষ্ঠু সমাধান হবে। যখন হবে তখন আপনাদের জানাবো।”
প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে যেটুকু আলোচনা সেটা শেষ। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন বিষয়টি এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে, যেখান থেকে আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারি। আলোচনার বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে কীভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা যায়। এছাড়া টেন্ডার নিয়েও আলোচনা হয়েছে।”
বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “তাদের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমি এখনো মনে করি, পদ্মাসেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি এবং হবেও না। দুর্নীতি যে হয়নি সেটা তাদের কথাতেই রয়েছে। তারা বলেছেন, হতে পারে। তারা সেই সম্ভাবনাকে রহিত করার চেষ্টা চালিয়েছেন, আমরাও সেই প্রচেষ্টায় ব্রত। সুতরাং আমাদের মধ্যে ঐক্য হওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েছেই। এটা হয়ে গেলেই আমি আশা করছি এ মাসের মধ্যে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। বিশ্বব্যাংক কবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে সেটা তাদের বিষয়।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, “এছাড়া সরকারের বিকল্প ব্যবস্থা তো রয়েছেই। সেটা শুরু করতে বেশি দেরি হবে না।
পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ড. মসিউরের পদত্যাগ প্রসঙ্গে ‘নো কমেন্ট’ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা কাউকেই পদত্যাগ করতে বলিনি। বিশ্বব্যাংক চেয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নের এ পর্যায়ে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না।
মালয়েশিয়ার প্রস্তাব সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক’দিন পরপরই তারা বলে যে, এটা তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব। কিন্তু চূড়ান্ত প্রস্তাব আর চূড়ান্ত হয় না। এদিক সেদিক ফাঁক থেকে যায়। তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবটিও সেরকমই। এটা একটা সমস্যা।”
পদত্যাগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যঃ
পদত্যাগের বিষয়ে বিভিন্ন মহলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “আমার পদত্যাগের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে বলা হচ্ছে, চিঠিপত্র আসছে, আমি এগুলো দেখছি। কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।”
এর আগে পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আছেন আগুনের মধ্যে, আমার মতোই। কিন্তু আগুন দেখে তো পালিয়ে গেলে হবে না। আগুন নেভানো দরকার। শারীরিক অবস্থার কারণে আমিও গত ৯ মাস ধরে পালিয়ে যেতে চাচ্ছি, সরকার থেকে বেরিয়ে যেতে চাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “তবে প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় আমাকে রেখে সম্মানিত করেছেন, এখানে কাজ করার সুযোগও আছে। সুতরাং এটা (পদত্যাগ) নিয়ে বেশি লেখালিখি করা উচিত হবে না।”
পদত্যাগের বিষয়ে বিভিন্ন মহলের দাবির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজারে তো এটাই দাবি, ফখরুল ইসলাম সাহেব আছেন, উনার বক্তব্য শুরু ও শেষ হয় এটা দিয়েই। ‘তবে তিনি প্রায়ই অসত্য বক্তব্য দেন’ এমন মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি ওনাকে খুব বেশি চিনি না। একটু একটু পরিচয় আছে। কিন্তু আমি দেখি ওনার স্টাইলটা এরকম যে, অসত্যটা উনি খুব ভালো করে সামনে তুলে ধরেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন