বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমানকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রোববার বিকেলে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বুয়েটের উপাচার্য ড. নজরুল ইসলাম ও উপ-উপাচার্য হাবিবুর রহমানের অপসারণ দাবি করে গত পাঁচ মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা।
নির্দিষ্ট সময়ের আগে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলে শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দেন।
আন্দোলনের মুখে গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উপ-উপাচার্য অপসারণ করার আশ্বাস দেন।
উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকেই বুয়েটে কর্মবিরতি শুরু করে শিক্ষক সমিতি। এরপর থেকে সমিতির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও বুয়েটকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারেনি সরকার।
সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক চলে মন্ত্রী, সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে শিক্ষক সমিতির। এদিন আপাতত উপ-উপাচার্যকে প্রত্যাহার করা হবে বলে আশ্বস্ত করে ক্লাসে ফেরার জন্যে শিক্ষকদের অনুরোধ করেন মন্ত্রী। কিন্তু শিক্ষার্থীরা উপাচার্যেরও অপসারণ ছাড়া দাবি মানবে না বলে জানান।
পরে ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসলে তারাও আশ্বস্ত হয়। কিন্তু একদিন অপেক্ষা করে ৭ আগস্ট প্রশাসনে রদবদল করার জন্যে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।
আন্দোলনরতদের একের পর এক দাবির প্রেক্ষিতে ও কোনোভাবেই ক্লাসে ফেরাতে না পেরে অবশেষে গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিভাবে কঠোর হতে হয়, সরকার তা জানে।”
এর একদিন পরই রোববার উপ-উপাচার্যকে প্রত্যাহার করে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির একটি পূরণ করা হয়।তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতে নানা টাল বাহানার পর অবশেষে রসরকার বুয়েট উপ- উপাচার্যকে অপসারণ করতে বাধ্য হয়েছে।
রোববার বিকেলে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বুয়েটের উপাচার্য ড. নজরুল ইসলাম ও উপ-উপাচার্য হাবিবুর রহমানের অপসারণ দাবি করে গত পাঁচ মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা।
নির্দিষ্ট সময়ের আগে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হলে শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দেন।
আন্দোলনের মুখে গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উপ-উপাচার্য অপসারণ করার আশ্বাস দেন।
উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকেই বুয়েটে কর্মবিরতি শুরু করে শিক্ষক সমিতি। এরপর থেকে সমিতির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও বুয়েটকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারেনি সরকার।
সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক চলে মন্ত্রী, সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে শিক্ষক সমিতির। এদিন আপাতত উপ-উপাচার্যকে প্রত্যাহার করা হবে বলে আশ্বস্ত করে ক্লাসে ফেরার জন্যে শিক্ষকদের অনুরোধ করেন মন্ত্রী। কিন্তু শিক্ষার্থীরা উপাচার্যেরও অপসারণ ছাড়া দাবি মানবে না বলে জানান।
পরে ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীরা মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসলে তারাও আশ্বস্ত হয়। কিন্তু একদিন অপেক্ষা করে ৭ আগস্ট প্রশাসনে রদবদল করার জন্যে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।
আন্দোলনরতদের একের পর এক দাবির প্রেক্ষিতে ও কোনোভাবেই ক্লাসে ফেরাতে না পেরে অবশেষে গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিভাবে কঠোর হতে হয়, সরকার তা জানে।”
এর একদিন পরই রোববার উপ-উপাচার্যকে প্রত্যাহার করে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির একটি পূরণ করা হয়।তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতে নানা টাল বাহানার পর অবশেষে রসরকার বুয়েট উপ- উপাচার্যকে অপসারণ করতে বাধ্য হয়েছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন