কয়লাখনি বরাদ্দ নিয়ে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় ভারতের ওডিশা রাজ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার এক নারী পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন কংগ্রেস দলের সমর্থকেরা।
জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, নারী পুলিশের ওপর হামলাকারীদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ওডিশা পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (ওপিএ)। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়, গতকাল বিক্ষোভ কর্মসূচির একপর্যায়ে মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাতনায়েকের অপসারণ দাবি করে ভুবনেশ্বরে অবস্থিত ওডিশার বিধানসভা ঘেরাওয়ের চেষ্টা চালান কংগ্রেসের হাজার হাজার সমর্থক। পুলিশ তাঁদের আটকাতে গেলে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। উত্তেজিত কংগ্রেস সমর্থকেরা তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে থাকেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে ৬০ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৬০ জন আহত হন।
স্থানীয় টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুই পক্ষের সংঘর্ষের একপর্যায়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে এক নারী পুলিশ সদস্যকে পেটাতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তিনি কংগ্রেসের এক নেত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। গুরুতর আহত পুলিশের ওই নারীসদস্য এখন ভুবনেশ্বরে একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
নারী পুলিশের ওপর আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ওপিএর সভাপতি সওয়ারমাল শর্মা বলেন, যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিক্ষোভের নামে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দুঃখজনক।
সংঘর্ষের ব্যাপারে পুলিশ ও কংগ্রেস অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে। কংগ্রেসের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালায় পুলিশ। পুলিশের আগ্রাসী আচরণের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে ১০ সেপ্টেম্বর বনধের ডাক দিয়েছে দলটি। তবে পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতেই অ্যাকশনে যেতে বাধ্য হয়েছিল পুলিশ।
জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, নারী পুলিশের ওপর হামলাকারীদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে ওডিশা পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (ওপিএ)। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়, গতকাল বিক্ষোভ কর্মসূচির একপর্যায়ে মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাতনায়েকের অপসারণ দাবি করে ভুবনেশ্বরে অবস্থিত ওডিশার বিধানসভা ঘেরাওয়ের চেষ্টা চালান কংগ্রেসের হাজার হাজার সমর্থক। পুলিশ তাঁদের আটকাতে গেলে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। উত্তেজিত কংগ্রেস সমর্থকেরা তখন পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়তে থাকেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে ৬০ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৬০ জন আহত হন।
স্থানীয় টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুই পক্ষের সংঘর্ষের একপর্যায়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে এক নারী পুলিশ সদস্যকে পেটাতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তিনি কংগ্রেসের এক নেত্রীর দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। গুরুতর আহত পুলিশের ওই নারীসদস্য এখন ভুবনেশ্বরে একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।
নারী পুলিশের ওপর আক্রমণকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে ওপিএর সভাপতি সওয়ারমাল শর্মা বলেন, যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিক্ষোভের নামে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দুঃখজনক।
সংঘর্ষের ব্যাপারে পুলিশ ও কংগ্রেস অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে। কংগ্রেসের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালায় পুলিশ। পুলিশের আগ্রাসী আচরণের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে ১০ সেপ্টেম্বর বনধের ডাক দিয়েছে দলটি। তবে পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতেই অ্যাকশনে যেতে বাধ্য হয়েছিল পুলিশ।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন