হলমার্ক গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারি শুধু সোনালী ব্যাংকের একটিমাত্র শাখা থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা অনিয়ম করে হাতিয়ে নেয়ার মধ্যেই সীমিত নয়। দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে এই বাণিজ্যিক গ্রুপটির মোট হাতিয়ে নেয়া অর্থের পরিমাণ আরো কয়েকগুণ বেশি। কেলেঙ্কারি তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের ৬ সদস্যের অনুসন্ধাণ দল ও ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
নিয়মের অবাধ্য হওয়া এ ব্যাংকগুলোর মধ্যে আছে রাষ্ট্রায়ত্ব জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় হলমার্কের প্রতারণার শিকার হয়েছে ২৬ টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
শুধুই ঋণ দিয়ে নয়, ব্যাক টু ব্যাক এলসির মালামাল সরবরাহের নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছে সোনালী ব্যাংকের রুপসী শাখা। |এই নিশ্চয়তাপত্রের ভিত্তিতে অন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো গ্রুপটির নানা প্রতিষ্ঠানের বিল কিনেছে। প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই, অথচ ঋণ দেয়া হয়েছে। এবং এই ঋণ নেয়ার সময় উৎপাদন চলছে বলে সোনালী ব্যাংক নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছিল। সোনালী ব্যাংকের গুলশান ও আগারগাঁও শাখা, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা ও স্থানীয় কার্যালয় (লোকাল অফিস ) এবং অগ্রনী ব্যাংকের প্রধান শাখা এসব কেলেঙ্কারিতে জড়িত।
এর ফলে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, আল ফালাহ, বেসিক ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ওরিয়েন্টাল ব্যাংক,আইএফআইস ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচাল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যায়ান্ড কমার্স ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিব্যাংক এনএ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’র কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতে পেরেছে হলমার্ক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ ও দুদক কর্মকর্তারা ২০০৯-১০-১১ অর্থবছরের হলমার্ক গ্রুপের এলসির কাগজপত্র খতিয়ে দেখছেন|
হলমার্ক গ্রুপভুক্ত কোম্পানিগুলোর বাইরেও ব্যবসায়িকভাবে সম্পৃক্ত নানা ভুয়া কোম্পানির নামেও ঋণ নিয়েছেন গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ।
আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, স্টার স্পিনিং মিলস, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস ও সেঞ্চুরি স্পিনিং মিলসের নামে বারবার ঋণ নেয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখায় আনোয়ারা স্পিনিং মিলস ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের নামে দুটি হিসাব খোলা হয় ২০১১ সালের ৮ জুন। নথি অনুযায়ী, আনোয়ারা স্পিনিং মিলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম এবং ম্যাক্সের মালিক মীর জাকারিয়া। এই দুই হিসাবের পরিচয়দানকারী হচ্ছেন হলমার্ক গ্রুপের এমডি ও ববি স্পিনিং মিলের মালিক তানভীর মাহমুদ। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা GB দুই স্পিনিং মিলের নামে হিসাব খোলার পরপরই তাদের বিল কেনা শুরু করে।
বিলে দেখানো হয়েছে, হলমার্ক ফ্যাশনসহ এই গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে সুতা আমদানির জন্য আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিংয়ের অনুকূলে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় স্থানীয় ঋণপত্র করে। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা এই বিল কিনে নেয় এবং সেই পরিমাণ অর্থ আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের হিসাবে জমা দিয়ে দেয়। এভাবে ওই দুই প্রতিষ্ঠান তুলে নেয় ৮৩ কোটি ৬৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকৃতপক্ষে কোনো সুতাই কেনাবেচা হয়নি। বাস্তবে প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো অস্তিত্বই নেই।
জনতা ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠান দুটি সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হলে তারা তা দিতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলমার্ক গ্রুপ পুরো অর্থ সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে। এই অর্থ আত্মসাতে জন্য জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম আজাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাংকের কর্মচারী জড়িত ছিল।
জনতা ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় প্রায় একইভাবে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দিয়েছে সোহেল স্পিনিং মিল নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে। এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ছিল সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা ও হলমার্ক গ্রুপ। হলমার্ক গ্রুপকে পণ্য রফতানির নামে অর্থ তুলে নেয়ার সুযোগ দেয়া হলেও বাস্তবে কোনো পণ্য রফতানি হয়নি। জনতা ব্যাংক যাচাই-বাছাই ছাড়াই সোহেল স্পিনিং মিলকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ায় আটকা পড়েছে ২৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা সোহেল স্পিনিং মিল পরিদর্শন করা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে বলা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল সেটি বন্ধ দেখে এসেছে।
নিয়মের অবাধ্য হওয়া এ ব্যাংকগুলোর মধ্যে আছে রাষ্ট্রায়ত্ব জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় হলমার্কের প্রতারণার শিকার হয়েছে ২৬ টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
শুধুই ঋণ দিয়ে নয়, ব্যাক টু ব্যাক এলসির মালামাল সরবরাহের নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছে সোনালী ব্যাংকের রুপসী শাখা। |এই নিশ্চয়তাপত্রের ভিত্তিতে অন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো গ্রুপটির নানা প্রতিষ্ঠানের বিল কিনেছে। প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই, অথচ ঋণ দেয়া হয়েছে। এবং এই ঋণ নেয়ার সময় উৎপাদন চলছে বলে সোনালী ব্যাংক নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছিল। সোনালী ব্যাংকের গুলশান ও আগারগাঁও শাখা, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা ও স্থানীয় কার্যালয় (লোকাল অফিস ) এবং অগ্রনী ব্যাংকের প্রধান শাখা এসব কেলেঙ্কারিতে জড়িত।
এর ফলে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, আল ফালাহ, বেসিক ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ওরিয়েন্টাল ব্যাংক,আইএফআইস ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচাল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যায়ান্ড কমার্স ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিব্যাংক এনএ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’র কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতে পেরেছে হলমার্ক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ ও দুদক কর্মকর্তারা ২০০৯-১০-১১ অর্থবছরের হলমার্ক গ্রুপের এলসির কাগজপত্র খতিয়ে দেখছেন|
হলমার্ক গ্রুপভুক্ত কোম্পানিগুলোর বাইরেও ব্যবসায়িকভাবে সম্পৃক্ত নানা ভুয়া কোম্পানির নামেও ঋণ নিয়েছেন গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ।
আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, স্টার স্পিনিং মিলস, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস ও সেঞ্চুরি স্পিনিং মিলসের নামে বারবার ঋণ নেয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখায় আনোয়ারা স্পিনিং মিলস ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের নামে দুটি হিসাব খোলা হয় ২০১১ সালের ৮ জুন। নথি অনুযায়ী, আনোয়ারা স্পিনিং মিলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম এবং ম্যাক্সের মালিক মীর জাকারিয়া। এই দুই হিসাবের পরিচয়দানকারী হচ্ছেন হলমার্ক গ্রুপের এমডি ও ববি স্পিনিং মিলের মালিক তানভীর মাহমুদ। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা GB দুই স্পিনিং মিলের নামে হিসাব খোলার পরপরই তাদের বিল কেনা শুরু করে।
বিলে দেখানো হয়েছে, হলমার্ক ফ্যাশনসহ এই গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে সুতা আমদানির জন্য আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিংয়ের অনুকূলে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় স্থানীয় ঋণপত্র করে। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা এই বিল কিনে নেয় এবং সেই পরিমাণ অর্থ আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের হিসাবে জমা দিয়ে দেয়। এভাবে ওই দুই প্রতিষ্ঠান তুলে নেয় ৮৩ কোটি ৬৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকৃতপক্ষে কোনো সুতাই কেনাবেচা হয়নি। বাস্তবে প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো অস্তিত্বই নেই।
জনতা ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠান দুটি সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হলে তারা তা দিতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলমার্ক গ্রুপ পুরো অর্থ সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে। এই অর্থ আত্মসাতে জন্য জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম আজাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাংকের কর্মচারী জড়িত ছিল।
জনতা ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় প্রায় একইভাবে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দিয়েছে সোহেল স্পিনিং মিল নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে। এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ছিল সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা ও হলমার্ক গ্রুপ। হলমার্ক গ্রুপকে পণ্য রফতানির নামে অর্থ তুলে নেয়ার সুযোগ দেয়া হলেও বাস্তবে কোনো পণ্য রফতানি হয়নি। জনতা ব্যাংক যাচাই-বাছাই ছাড়াই সোহেল স্পিনিং মিলকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ায় আটকা পড়েছে ২৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা সোহেল স্পিনিং মিল পরিদর্শন করা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে বলা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল সেটি বন্ধ দেখে এসেছে।


All are thief......