টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে নামার আগে মুশফিকুর রহিমদের প্রস্তুতিটা ভালোই হলো। আজ শনিবার কলম্বোর কোল্টস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মুশফিক বাহিনী জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে ৫ উইকেটে। প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ের ১৩৪ রান টপকে যায় বাংলাদেশ ১০ বল হাতে রেখেই। মোহাম্মদ আশরাফুলের ঝোড়োগতির শুরুর পর (৩৮) দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে শেষ পর্যন্ত পথ দেখান জিয়াউর রহমান (২৬)। ২০ বল খেলে আসা এই ২৬ রান মূলত শেষ পর্যন্ত চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে এনে দেয় আপাত সহজ জয়।
আশরাফুল ও জিয়া ছাড়াও সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। জিয়াকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে মাহমুদউল্লাহ শেষ অবধি অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে।
জিম্বাবুয়ের ১৩৪ রানের জবাবে শুরুটা কিন্তু অতটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১১ রানের মাথায় ফিরে যান তামিম ইকবাল (৫)। এরপর আশরাফুল ও সাকিবের মধ্যে গড়ে ওঠা জুটি দলকে এগিয়ে দেয় অনেক দূর। সাকিব ২৮ রানে রেমন্ড প্রাইসের বলে ওয়েলারের হাতে ধরা পড়েন। এরপর আশরাফুল ৩৮ রানে ক্রেমারের বলে আউট হন। সাকিব ও আশরাফুল আউট হওয়ার পর খুব দ্রুতই মুশফিকুর রহিম ও নাসির হোসেনের উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ও জিয়া শেষ পর্যন্ত স্থিতধী ব্যাটিংয়ে সেই বিপর্যয় সামাল দেন।
সকালে টসে জিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ে তোলে ৬ উইকেটে ১৩৪ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে সিবান্দার ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ব্রেন্ডন টেইলর ২১ ও ওয়েলার ১৮ রান করেন। শেষের দিকে এরভিনের ঝোড়োগতির ১৯ রান ঢিমেতালে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে নিয়ে যায় মোটামুটি সম্মানজনক পর্যায়ে।
বাংলাদেশের পক্ষে দুই পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শফিউল ইসলাম ছিলেন খরচে। তবে স্পিনাররা প্রথম থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলে দেন। আবদুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান, ইলিয়াস সানি ও মাহমুদউল্লাহ প্রত্যেকেই সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের স্কোরকে বাড়তে দেননি। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে রাজ্জাকের বলে এরভিন দুটি ছয়ের মারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে ১৩০-এর ওপরে নিয়ে যান।
রাজ্জাক ৪ ওভার বল করে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সাকিব ছিলেন ৪ ওভারে ১৬ রান দিলেও ১ উইকেটের বেশি পাননি। ইলিয়াস সানি ৪ ওভারে ৩৭ রানে ১ উইকেট ও মাহমুদউল্লাহ ৩ ওভার বল করে ২০ রানে ১ উইকেট দখল করেন।
পেসার শফিউলকে বল হাতে ব্যর্থই বলা চলে। নিজের একমাত্র ওভারে ১০ রান দিলে তাঁর হাতে আর বল তুলে দেওয়ার সাহস হয়নি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের। মাশরাফি ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে তুলে নেন ১ উইকেট।
আশরাফুল ও জিয়া ছাড়াও সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। জিয়াকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে মাহমুদউল্লাহ শেষ অবধি অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে।
জিম্বাবুয়ের ১৩৪ রানের জবাবে শুরুটা কিন্তু অতটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১১ রানের মাথায় ফিরে যান তামিম ইকবাল (৫)। এরপর আশরাফুল ও সাকিবের মধ্যে গড়ে ওঠা জুটি দলকে এগিয়ে দেয় অনেক দূর। সাকিব ২৮ রানে রেমন্ড প্রাইসের বলে ওয়েলারের হাতে ধরা পড়েন। এরপর আশরাফুল ৩৮ রানে ক্রেমারের বলে আউট হন। সাকিব ও আশরাফুল আউট হওয়ার পর খুব দ্রুতই মুশফিকুর রহিম ও নাসির হোসেনের উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বিপদে পড়ে যায়। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ও জিয়া শেষ পর্যন্ত স্থিতধী ব্যাটিংয়ে সেই বিপর্যয় সামাল দেন।
সকালে টসে জিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ে তোলে ৬ উইকেটে ১৩৪ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান এসেছে সিবান্দার ব্যাট থেকে। এ ছাড়া ব্রেন্ডন টেইলর ২১ ও ওয়েলার ১৮ রান করেন। শেষের দিকে এরভিনের ঝোড়োগতির ১৯ রান ঢিমেতালে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে নিয়ে যায় মোটামুটি সম্মানজনক পর্যায়ে।
বাংলাদেশের পক্ষে দুই পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শফিউল ইসলাম ছিলেন খরচে। তবে স্পিনাররা প্রথম থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলে দেন। আবদুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান, ইলিয়াস সানি ও মাহমুদউল্লাহ প্রত্যেকেই সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের স্কোরকে বাড়তে দেননি। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে রাজ্জাকের বলে এরভিন দুটি ছয়ের মারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে ১৩০-এর ওপরে নিয়ে যান।
রাজ্জাক ৪ ওভার বল করে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সাকিব ছিলেন ৪ ওভারে ১৬ রান দিলেও ১ উইকেটের বেশি পাননি। ইলিয়াস সানি ৪ ওভারে ৩৭ রানে ১ উইকেট ও মাহমুদউল্লাহ ৩ ওভার বল করে ২০ রানে ১ উইকেট দখল করেন।
পেসার শফিউলকে বল হাতে ব্যর্থই বলা চলে। নিজের একমাত্র ওভারে ১০ রান দিলে তাঁর হাতে আর বল তুলে দেওয়ার সাহস হয়নি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের। মাশরাফি ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে তুলে নেন ১ উইকেট।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন