ইসলামবিরোধী যে চলচ্চিত্রকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনবিরোধী বিক্ষোভ চলছে, সেটি ইউটিউব থেকে সরাবে না গুগল ইনকরপোরেট। গতকাল শুক্রবার গুগলকে বিতর্কিত চলচ্চিত্রটির অনলাইন সম্প্রচার জারি রাখার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু গুগল কর্তৃপক্ষ আজ জানিয়েছে, তারা চলচ্চিত্রটির প্রচার অব্যাহত রাখবে।
রয়টার্সে প্রকাশিত খবরে গুগল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গত বুধবার মার্কিন দূতাবাসে হামলা হওয়ার পর মিসর ও লিবিয়ায় চলচ্চিত্রটির প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ায় চলচ্চিত্রটি সেন্সর করে প্রচার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার আর কোনো রাজনৈতিক চাপে নয়, বরং কোনো দেশের স্থানীয় আইন অনুসারে চলচ্চিত্রের প্রচার নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
গুগল জানায়, মিসর ও লিবিয়ায় চলচ্চিত্রটির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া খুবই স্পর্শকাতর হওয়ায় সেখানে এর প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামবিরোধী চলচ্চিত্র ‘ইননোসেন্স অব মুসলিমস’-এর প্রতিবাদে লিবিয়ার বেনগাজিতে গত মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে হামলা হয়। ওই হামলায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার স্টিভেন্স ও তিন কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর ইয়েমেনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে, সুদানে ব্রিটিশ ও জার্মান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ ও হামলা হয়েছে। গতকাল মিসর, ফিলিস্তিন, ইরাক, ইরান, লেবানন, সুদান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিনবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এসব বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ছয়জন বিক্ষোভকারী মারা যায় বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়।
রয়টার্সে প্রকাশিত খবরে গুগল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়, গত বুধবার মার্কিন দূতাবাসে হামলা হওয়ার পর মিসর ও লিবিয়ায় চলচ্চিত্রটির প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ায় চলচ্চিত্রটি সেন্সর করে প্রচার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার আর কোনো রাজনৈতিক চাপে নয়, বরং কোনো দেশের স্থানীয় আইন অনুসারে চলচ্চিত্রের প্রচার নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
গুগল জানায়, মিসর ও লিবিয়ায় চলচ্চিত্রটির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া খুবই স্পর্শকাতর হওয়ায় সেখানে এর প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামবিরোধী চলচ্চিত্র ‘ইননোসেন্স অব মুসলিমস’-এর প্রতিবাদে লিবিয়ার বেনগাজিতে গত মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে হামলা হয়। ওই হামলায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টোফার স্টিভেন্স ও তিন কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর ইয়েমেনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে, সুদানে ব্রিটিশ ও জার্মান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ ও হামলা হয়েছে। গতকাল মিসর, ফিলিস্তিন, ইরাক, ইরান, লেবানন, সুদান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিনবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এসব বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ছয়জন বিক্ষোভকারী মারা যায় বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন