বাংলারবার্তাটুয়েন্টিফোর.কম
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চরসাদিপুর এলাকার পদ্মা নদীর বনের চরে আজ বুধবার ভোরে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তোফাজ্জেল হোসেন ওরফে তোফা (৩৬) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র্যাব ও পুলিশের দাবি, তোফাজ্জেল চরমপন্থী সংগঠন শ্রমজীবী গণমুক্তিফৌজের শীর্ষ নেতা ছিলেন। তোফাজ্জেলের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বারুইপাড়া গ্রামে।
র্যাবের ভাষ্যমতে, নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কুমারখালীর চরসাদিপুর ও শিলাইদহ খেয়াঘাটের মাঝামাঝি পদ্মা নদীর বনের চর এলাকায় একদল চরমপন্থী গোপন বৈঠক চালাচ্ছে বলে খবর পায় র্যাব। ওই সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে পাবনা ও কুষ্টিয়া র্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা নদীতে যৌথভাবে অভিযান চালান। ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে র্যাব বনের চর এলাকায় গেলে চরমপন্থীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এ সময় র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর সেখানে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এ সময় অন্য চরমপন্থীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
শিলাইদহ খেয়াঘাটে র্যাব-১২ কমান্ডার লে. কর্নেল এ টি এম আনিসুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, তোফাজ্জেল বড় ধরনের চরমপন্থী নেতা ছিলেন। কয়েক দিন আগে তাঁর নেতৃত্বে ওই এলাকার একজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে গুলি ও জবাই করে হত্যা করা হয়। সম্প্রতি এই চরমপন্থী সংগঠনটি পদ্মা নদীতে নাশকতায় সক্রিয় ছিল। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি হাঁসুয়া ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তোফাজ্জেলের লাশ উদ্ধার করে ও ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তোফাজ্জেল তিনটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি। পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২টি মামলা আছে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চরসাদিপুর এলাকার পদ্মা নদীর বনের চরে আজ বুধবার ভোরে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তোফাজ্জেল হোসেন ওরফে তোফা (৩৬) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র্যাব ও পুলিশের দাবি, তোফাজ্জেল চরমপন্থী সংগঠন শ্রমজীবী গণমুক্তিফৌজের শীর্ষ নেতা ছিলেন। তোফাজ্জেলের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বারুইপাড়া গ্রামে।
র্যাবের ভাষ্যমতে, নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কুমারখালীর চরসাদিপুর ও শিলাইদহ খেয়াঘাটের মাঝামাঝি পদ্মা নদীর বনের চর এলাকায় একদল চরমপন্থী গোপন বৈঠক চালাচ্ছে বলে খবর পায় র্যাব। ওই সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে পাবনা ও কুষ্টিয়া র্যাব ক্যাম্পের সদস্যরা নদীতে যৌথভাবে অভিযান চালান। ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে র্যাব বনের চর এলাকায় গেলে চরমপন্থীরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এ সময় র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর সেখানে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এ সময় অন্য চরমপন্থীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
শিলাইদহ খেয়াঘাটে র্যাব-১২ কমান্ডার লে. কর্নেল এ টি এম আনিসুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, তোফাজ্জেল বড় ধরনের চরমপন্থী নেতা ছিলেন। কয়েক দিন আগে তাঁর নেতৃত্বে ওই এলাকার একজন ইউপি চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে গুলি ও জবাই করে হত্যা করা হয়। সম্প্রতি এই চরমপন্থী সংগঠনটি পদ্মা নদীতে নাশকতায় সক্রিয় ছিল। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি হাঁসুয়া ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তোফাজ্জেলের লাশ উদ্ধার করে ও ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তোফাজ্জেল তিনটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি। পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২টি মামলা আছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন