পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষের দু’দিন পর ১৪৪ ধারা তুলে নেয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
একইসঙ্গে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একটি শান্তি মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফা কামাল।
সোমবার জেলা প্রশাসনের অফিসে এক বৈঠকের পর পাহাড়িদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একজন এবং বাঙালিদের একজন প্রতিনিধিকে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট একটি ঘটনা থেকে সংঘর্ষ গোটা শহরে ছড়িয়ে পরার পেছনে গুজব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
মোস্তাফা কামাল বলেন, “পাহাড়ি এবং বাঙালিদের প্রতিনিধিরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করবে যেন কেউ কোন গুজবে কান না দেন।”
রোববার রাতেও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ লাঠি-সোটা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন রাঙামাটি শহরে মাইক যোগে গুজবে কান না দিয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।
এ ব্যাপারে হেডম্যান বিপ্লব চাকমা বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”
স্থানীয় অনেকে মনে করছেন সংঘর্ষ ‘পরিকল্পিতভাবে’ ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”
বিপ্লব চাকমা বলেন, “সংঘর্ষের দিন অনেক বাঙালি এবং পাহাড়ি একে অপরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করেছে।”
অন্যদিকে, বাঙালি দাঙ্গাকারীদের অনেককে তিনি ‘অপরিচিত’ বলে বর্ণনা করেন।
রাঙামাটি সরকারি কলেজে একজন পাহাড়ি এবং একজন বাঙালি ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। পরে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালিদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি এবং সেনাবাহিনীর টহলের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সহিংসতা থামাতে গিয়ে পুলিশসহ অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ-উল-হাসান বলেন, “সহিংসতা এরকম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সহিংসতার সময় বাঙালিরা বাঙালি এলাকায় এবং পাহাড়িরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। এটা কোনভাবেই আঁচ করা যায়নি।”
তিনি বলেন, “পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণের’ আওতায় সেনাবাহিনী সবসময় টহলে থাকে।” সূত্র: বিবিসি
একইসঙ্গে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একটি শান্তি মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফা কামাল।
সোমবার জেলা প্রশাসনের অফিসে এক বৈঠকের পর পাহাড়িদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একজন এবং বাঙালিদের একজন প্রতিনিধিকে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট একটি ঘটনা থেকে সংঘর্ষ গোটা শহরে ছড়িয়ে পরার পেছনে গুজব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
মোস্তাফা কামাল বলেন, “পাহাড়ি এবং বাঙালিদের প্রতিনিধিরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করবে যেন কেউ কোন গুজবে কান না দেন।”
রোববার রাতেও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ লাঠি-সোটা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন রাঙামাটি শহরে মাইক যোগে গুজবে কান না দিয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।
এ ব্যাপারে হেডম্যান বিপ্লব চাকমা বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”
স্থানীয় অনেকে মনে করছেন সংঘর্ষ ‘পরিকল্পিতভাবে’ ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”
বিপ্লব চাকমা বলেন, “সংঘর্ষের দিন অনেক বাঙালি এবং পাহাড়ি একে অপরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করেছে।”
অন্যদিকে, বাঙালি দাঙ্গাকারীদের অনেককে তিনি ‘অপরিচিত’ বলে বর্ণনা করেন।
রাঙামাটি সরকারি কলেজে একজন পাহাড়ি এবং একজন বাঙালি ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। পরে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালিদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি এবং সেনাবাহিনীর টহলের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সহিংসতা থামাতে গিয়ে পুলিশসহ অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ-উল-হাসান বলেন, “সহিংসতা এরকম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সহিংসতার সময় বাঙালিরা বাঙালি এলাকায় এবং পাহাড়িরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। এটা কোনভাবেই আঁচ করা যায়নি।”
তিনি বলেন, “পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণের’ আওতায় সেনাবাহিনী সবসময় টহলে থাকে।” সূত্র: বিবিসি


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন