অধ্যক্ষসহ অন্য শিক্ষকদের নির্দেশে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কলেজের
পুরুষ কর্মচারীরা ছাত্রীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মাস্টার্স পর্যন্ত হলের সিট বরাদ্দ রাখার দাবিতে ছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করলে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্রীরা।
হামলার পর থেকে শত শত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী হল থেকে বেরিয়ে কলেজ গেটের ভেতরে বিক্ষোভ করছে। রাত পৌনে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কলেজের অভ্যন্তরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা বাংলারবার্তা২৪ কে বলেন, “ফাইনাল পরীক্ষার পর এক সপ্তাহের মধ্যে হল ছাড়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু মাস্টার্স পর্যন্ত বাইরে থাকতে সমস্যা হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে মাস্টার্স পর্যন্ত সিট বহাল রাখার জন্য আমরা দাবি জানিয়ে আসছি। গত বছরও আমরা আন্দোলন করেছিলাম। গত বছরও কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন।”
কিন্তু বর্তমান অধ্যক্ষ এসে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল ১০টা থেকে আমরা আন্দোলন করছি। শিক্ষকরা আমাদের জানিয়েছিলেন, নোটিশের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমাদের সন্ধ্যার পর এই নোটিশ দেওয়ার কথা জানানো হয় । কিন্তু রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষকদের নির্দেশে কলেজের পুলিশ কর্মচারীরা আমাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় আমাদের বেশ ক’জন আহত হয়।
তবে কলেজের অধ্যক্ষ রওশনা আরা সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রীরা আমাকেসহ অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ইডেনের প্রশাসনিক ভবনে আমরা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি।”
তিনি বলেন, “তারা কেন আন্দোলন করছে বুঝতে পারছি না। ওদের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা নাই।”
ছাত্রীদের ওপর কর্মচারীদের হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি কোন নির্দেশ দেইনি। হামলা হয়েছে কি না জানি না। তবে কোন কর্মচারী হামলা চালালে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাস্টার্স পর্যন্ত হলের সিট বরাদ্দ রাখার দাবিতে ছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করলে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্রীরা।
হামলার পর থেকে শত শত বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী হল থেকে বেরিয়ে কলেজ গেটের ভেতরে বিক্ষোভ করছে। রাত পৌনে ১২টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কলেজের অভ্যন্তরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা বাংলারবার্তা২৪ কে বলেন, “ফাইনাল পরীক্ষার পর এক সপ্তাহের মধ্যে হল ছাড়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু মাস্টার্স পর্যন্ত বাইরে থাকতে সমস্যা হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে মাস্টার্স পর্যন্ত সিট বহাল রাখার জন্য আমরা দাবি জানিয়ে আসছি। গত বছরও আমরা আন্দোলন করেছিলাম। গত বছরও কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন।”
কিন্তু বর্তমান অধ্যক্ষ এসে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
এর প্রতিবাদে বুধবার সকাল ১০টা থেকে আমরা আন্দোলন করছি। শিক্ষকরা আমাদের জানিয়েছিলেন, নোটিশের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমাদের সন্ধ্যার পর এই নোটিশ দেওয়ার কথা জানানো হয় । কিন্তু রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষকদের নির্দেশে কলেজের পুলিশ কর্মচারীরা আমাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় আমাদের বেশ ক’জন আহত হয়।
তবে কলেজের অধ্যক্ষ রওশনা আরা সাংবাদিকদের বলেন, “ছাত্রীরা আমাকেসহ অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ইডেনের প্রশাসনিক ভবনে আমরা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি।”
তিনি বলেন, “তারা কেন আন্দোলন করছে বুঝতে পারছি না। ওদের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা নাই।”
ছাত্রীদের ওপর কর্মচারীদের হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি কোন নির্দেশ দেইনি। হামলা হয়েছে কি না জানি না। তবে কোন কর্মচারী হামলা চালালে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন