দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সহ-সম্পাদক ও তরুণ প্রতিভাবান কবি আপন মাহমুদ (৩৬) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।
বুধবার ভোরে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
তার পারিবারিক সূত্র জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে বুকে ব্যাথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।
তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কড়াইতলা এলাকায়।
কালের কণ্ঠের মফস্বল বিভাগে কাজ করতেন আপন মাহমুদ। সংবাদপত্রটির মফস্বল বিভাগের সম্পাদক খায়রুল বাশার শামীম বাংলানিউজকে বলেন, আপন অত্যন্ত আন্তরিক একজন সংবাদকর্মী ছিলেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত ডেস্কে নিরলসভাবে কাজ করেছেন আপন। এরপর বাসায় ফিরে যান। রাতেই তিনি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তার মরদেহ এ্যাপোলো হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
তরুণ কবি আপন মাহমুদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সকালের দাড়িকমা’। ‘মা ও প্রজাপতি’ কাবিতা সিরিজের মাধ্যমে আপন মাহমুদ বাংলা কবিতার জগতে পরিচিতি লাভ করেন।
বুধবার ভোরে রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
তার পারিবারিক সূত্র জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে বুকে ব্যাথা অনুভব করলে তাকে দ্রুত এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।
তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কড়াইতলা এলাকায়।
কালের কণ্ঠের মফস্বল বিভাগে কাজ করতেন আপন মাহমুদ। সংবাদপত্রটির মফস্বল বিভাগের সম্পাদক খায়রুল বাশার শামীম বাংলানিউজকে বলেন, আপন অত্যন্ত আন্তরিক একজন সংবাদকর্মী ছিলেন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টা পর্যন্ত ডেস্কে নিরলসভাবে কাজ করেছেন আপন। এরপর বাসায় ফিরে যান। রাতেই তিনি অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তার মরদেহ এ্যাপোলো হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
তরুণ কবি আপন মাহমুদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘সকালের দাড়িকমা’। ‘মা ও প্রজাপতি’ কাবিতা সিরিজের মাধ্যমে আপন মাহমুদ বাংলা কবিতার জগতে পরিচিতি লাভ করেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন