বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন,
কয়েকজন কর্মকর্তা বা পরিচালক নন, সরকারের সর্বোচ্চ মহলের আশ্রয়ে হলমার্ক
কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর
মাহমুদ এই সরকারের ঘনিষ্ঠজন, তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
আজ শনিবার এক গোলটেবিল আলোচনায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ ব্যাংকিং খাতে চলমান দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক ওই গোলটেবিলের আয়োজন করে।
হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আওয়ামী লীগের ‘ঘনিষ্ঠ’ দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তানভীর সাহেব পুরস্কার নিচ্ছেন এমন ছবি দেখেছি।’ দেশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, সরকার দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। দেশ এখন অপরাধী ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিএনপির এই নেতার দাবি, মুক্তিযুদ্ধের পর সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের সূচনা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, দেশের অর্থনীতিকে ‘রসাতলে’ নিয়ে যায়।
জোট সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান নিয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, এ ধরনের কথা বলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে না।
‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকে অযোগ্য, অসত্ রাজনীতিবিদদের পুনর্বাসনের কারণে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে।
সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব উল্লাহ বলেন, হলমার্ক সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়নি। মূলত জালিয়াতি করেছে। এই জালিয়াতির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, এখন অর্থনৈতিক খাতে যে অবস্থা বিরাজ করছে, তা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে তিনি সম্মিলিতভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার আহ্বান জানান।
মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম বেড়ে চলেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক অনেকটা অকার্যকর। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যাংকের পরিচালকদের অযাচিত হস্তক্ষেপ দুর্নীতিকে উসকে দেয়। পরিচালক নিয়োগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিও ঠিকভাবে মানা হয় না। অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে অযোগ্য লোককে পর্ষদে স্থান দেওয়া হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আলমগীরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক শামসুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।
আজ শনিবার এক গোলটেবিল আলোচনায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ ব্যাংকিং খাতে চলমান দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক ওই গোলটেবিলের আয়োজন করে।
হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আওয়ামী লীগের ‘ঘনিষ্ঠ’ দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তানভীর সাহেব পুরস্কার নিচ্ছেন এমন ছবি দেখেছি।’ দেশ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, সরকার দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। দেশ এখন অপরাধী ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিএনপির এই নেতার দাবি, মুক্তিযুদ্ধের পর সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের সূচনা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, দেশের অর্থনীতিকে ‘রসাতলে’ নিয়ে যায়।
জোট সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান নিয়ে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, এ ধরনের কথা বলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে না।
‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকে অযোগ্য, অসত্ রাজনীতিবিদদের পুনর্বাসনের কারণে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে।
সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব উল্লাহ বলেন, হলমার্ক সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়নি। মূলত জালিয়াতি করেছে। এই জালিয়াতির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, এখন অর্থনৈতিক খাতে যে অবস্থা বিরাজ করছে, তা কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে তিনি সম্মিলিতভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার আহ্বান জানান।
মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম বেড়ে চলেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক অনেকটা অকার্যকর। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যাংকের পরিচালকদের অযাচিত হস্তক্ষেপ দুর্নীতিকে উসকে দেয়। পরিচালক নিয়োগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিও ঠিকভাবে মানা হয় না। অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে অযোগ্য লোককে পর্ষদে স্থান দেওয়া হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আলমগীরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক শামসুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন