দেশের স্বার্থে সব ধরনের দায়দায়িত্ব নিতে রাজি বিশিষ্ট আইনজীবী রফিক-উল হক।
নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হওয়ার প্রস্তাব এলে তিনি তা গ্রহণ করবেন কি
না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্ত চিন্তা ফোরাম আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে রফিক-উল হক এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে দুই নেত্রীকে একসঙ্গে বসানোর উদ্যোগ নেবেন বলেও জানান রফিক-উল হক। দুই নেত্রীর সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কথা বলে দেখি, দুই নেত্রী দেশকে ভালোবাসেন না, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না—এটা আমি বিশ্বাস করি না।’
রফিক-উল হক বলেন, ‘একজনের সঙ্গে আজ দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যজনের সঙ্গেও কথা বলা যেতে পারে। দেশের জনগণের স্বার্থে এই কাজটুকু করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।’
দুই নেত্রীকে একসঙ্গে বসাতে আপনি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন বলা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রফিক-উল হক বলেন, ‘উদ্যোগের উদ্যোগ নিয়েছি।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে চলমান বিতর্ক বিষয়ে এই প্রবীণ আইনজীবী বলেন, ‘বিএনপি এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো রূপরেখা দেয়নি। কাদের নিয়ে, কীভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে, তা তারা বলেনি। প্রধানমন্ত্রী অনেকটা নেমে এসেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানে অন্যরা সঙ্গে থাকবেন। তবে ওই সরকারের প্রধান কে হবেন, এটাই এখন মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।’
আপনাকেই যদি প্রধান হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়, তা হলে কী করবেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে রফিক-উল হক বলেন, ‘যদি সেই প্রয়োজন (অকেশন) আসে, দেশের জন্য আমি সব ধরনের দায়িত্ব নিতে রাজি আছি।’
এর আগে রফিক-উল হক বলেন, ‘বর্তমান সংকট নিরসন করতে হবে। দুই নেত্রী সংলাপে বসবেন না—এটা আমি বিশ্বাস করি না।’ সম্প্রচারমাধ্যমকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘দুই নেত্রীকে ডেকে অনুরোধ করুন।’
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানের মামলার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন দাবি করে রফিক-উল হক বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ বা দূরবর্তীভাবে এসব মামলা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।’
আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মুক্ত চিন্তা ফোরাম আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে রফিক-উল হক এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে দুই নেত্রীকে একসঙ্গে বসানোর উদ্যোগ নেবেন বলেও জানান রফিক-উল হক। দুই নেত্রীর সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কথা বলে দেখি, দুই নেত্রী দেশকে ভালোবাসেন না, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না—এটা আমি বিশ্বাস করি না।’
রফিক-উল হক বলেন, ‘একজনের সঙ্গে আজ দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যজনের সঙ্গেও কথা বলা যেতে পারে। দেশের জনগণের স্বার্থে এই কাজটুকু করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।’
দুই নেত্রীকে একসঙ্গে বসাতে আপনি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন বলা যাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে রফিক-উল হক বলেন, ‘উদ্যোগের উদ্যোগ নিয়েছি।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে চলমান বিতর্ক বিষয়ে এই প্রবীণ আইনজীবী বলেন, ‘বিএনপি এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো রূপরেখা দেয়নি। কাদের নিয়ে, কীভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে, তা তারা বলেনি। প্রধানমন্ত্রী অনেকটা নেমে এসেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মানে অন্যরা সঙ্গে থাকবেন। তবে ওই সরকারের প্রধান কে হবেন, এটাই এখন মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।’
আপনাকেই যদি প্রধান হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়, তা হলে কী করবেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে রফিক-উল হক বলেন, ‘যদি সেই প্রয়োজন (অকেশন) আসে, দেশের জন্য আমি সব ধরনের দায়িত্ব নিতে রাজি আছি।’
এর আগে রফিক-উল হক বলেন, ‘বর্তমান সংকট নিরসন করতে হবে। দুই নেত্রী সংলাপে বসবেন না—এটা আমি বিশ্বাস করি না।’ সম্প্রচারমাধ্যমকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘দুই নেত্রীকে ডেকে অনুরোধ করুন।’
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানের মামলার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন দাবি করে রফিক-উল হক বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ বা দূরবর্তীভাবে এসব মামলা পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।’


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন