সমমনা ১২টি ইসলামি দলের ডাকে আজ রোববার সারা দেশে ঢিলেঢালা হরতাল চলছে। তবে
চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে পিকেটারেরা সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিআরটিসির একটি
বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাজধানী: সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঘিরে রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। মোড়ে মোড়ে সতর্ক অবস্থায় আছে পুলিশ। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
রাজধানীতে সকাল থেকেই বাস, অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে। সকালে দূরপাল্লার যান চলাচল ছিল সীমিত। তবে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে গেছে অধিকাংশ ট্রেন।
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে হরতালের সমর্থনে পিকেটারেরা সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিআরটিসির একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেন। তবে দমকল বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
এ ছাড়া সকালের দিকে নগরের অলঙ্কার মোড়, আগ্রাবাদ ও জামানহাট মোড়ে পিকেটারদের উপস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ মোতায়েনের কারণে এখন পিকেটারদের তেমন উপস্থিতি নেই। নগরের প্রধান সড়কসহ সব সড়কেই রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা): হরতালের সমর্থনে ও ইসলামী খেলাফত আন্দোলনের আমির শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফের মুক্তির দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় কামরাঙ্গীরচর থানাধীন জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার সামনে খেলাফত আন্দোলন প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
গতকাল প্রেসক্লাবের সামনে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মোর্চা সমমনা ইসলামি ১২ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় খেলাফত আন্দোলনের আমিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজকের প্রতিবাদ সভায় দলের নায়েবে আমির আবু জাফর কাশেমী বলেন, ‘সরকারকে উত্খাত করার জন্য আমাদের আন্দোলন নয়। ইসলাম ও মহানবী (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে আমাদের আন্দোলন। গতকাল আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সরকার করতে দেয়নি; বরং আমাদের নেতাকে অহেতুক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমাদের এ কর্মসূচি। আমিরকে যত দিন মুক্তি না দেওয়া হয়, তত দিন আমাদের আন্দোলন চলবে।’
পুলিশের নিষেধাজ্ঞার কারণে মহাসমাবেশ করতে না পেরে বিক্ষোভ করতে গেলে গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মোর্চা সমমনা ইসলামি ও ১২ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিক্ষোভকারীসহ অন্তত ১০০ জন আহত হন।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশের একটি ভ্যানসহ তিনটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেন। আরও ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৫০ জনকে আটক করে।
পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশ করতে না দেওয়া ও পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় সমমনা ইসলামি ও ১২ দল।
সংবিধানে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও অবিচল বিশ্বাস পুনঃস্থাপন, নারীনীতি বাতিল, শিক্ষানীতি সংশোধনসহ সব ‘ইসলামবিরোধী’ আইন বাতিলের দাবিতে গত ২৪ জুলাই সমমনা ও ইসলামি ও ১২ দল রাজধানীর পল্টন ময়দানে মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। গতকাল বিকেলে এই মহাসমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের দিন শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পল্টন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়।
রাজধানী: সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ঘিরে রাজধানীজুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। মোড়ে মোড়ে সতর্ক অবস্থায় আছে পুলিশ। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
রাজধানীতে সকাল থেকেই বাস, অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে। সকালে দূরপাল্লার যান চলাচল ছিল সীমিত। তবে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে গেছে অধিকাংশ ট্রেন।
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে হরতালের সমর্থনে পিকেটারেরা সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিআরটিসির একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেন। তবে দমকল বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
এ ছাড়া সকালের দিকে নগরের অলঙ্কার মোড়, আগ্রাবাদ ও জামানহাট মোড়ে পিকেটারদের উপস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ মোতায়েনের কারণে এখন পিকেটারদের তেমন উপস্থিতি নেই। নগরের প্রধান সড়কসহ সব সড়কেই রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
কেরানীগঞ্জ (ঢাকা): হরতালের সমর্থনে ও ইসলামী খেলাফত আন্দোলনের আমির শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফের মুক্তির দাবিতে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় কামরাঙ্গীরচর থানাধীন জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার সামনে খেলাফত আন্দোলন প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
গতকাল প্রেসক্লাবের সামনে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মোর্চা সমমনা ইসলামি ১২ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় খেলাফত আন্দোলনের আমিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজকের প্রতিবাদ সভায় দলের নায়েবে আমির আবু জাফর কাশেমী বলেন, ‘সরকারকে উত্খাত করার জন্য আমাদের আন্দোলন নয়। ইসলাম ও মহানবী (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে আমাদের আন্দোলন। গতকাল আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সরকার করতে দেয়নি; বরং আমাদের নেতাকে অহেতুক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আমাদের এ কর্মসূচি। আমিরকে যত দিন মুক্তি না দেওয়া হয়, তত দিন আমাদের আন্দোলন চলবে।’
পুলিশের নিষেধাজ্ঞার কারণে মহাসমাবেশ করতে না পেরে বিক্ষোভ করতে গেলে গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মোর্চা সমমনা ইসলামি ও ১২ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিক্ষোভকারীসহ অন্তত ১০০ জন আহত হন।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশের একটি ভ্যানসহ তিনটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেন। আরও ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৫০ জনকে আটক করে।
পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশ করতে না দেওয়া ও পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় সমমনা ইসলামি ও ১২ দল।
সংবিধানে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও অবিচল বিশ্বাস পুনঃস্থাপন, নারীনীতি বাতিল, শিক্ষানীতি সংশোধনসহ সব ‘ইসলামবিরোধী’ আইন বাতিলের দাবিতে গত ২৪ জুলাই সমমনা ও ইসলামি ও ১২ দল রাজধানীর পল্টন ময়দানে মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করে। গতকাল বিকেলে এই মহাসমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের দিন শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পল্টন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন