নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলারবার্তাটুয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা,২ সেপ্টেম্বর: যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “একার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না। সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই জনগণের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কাজের জন্য অনেক সময় কঠোর হয়েছি। কমিশন খাই না বলেই কঠোর হতে পারি। গত আট মাসে ১১টি বিদেশ ভ্রমণ বাতিল করেছি।”
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সড়ক ও জনপদ অধিদফতরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যেই যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনের ২১৫০০ কিলোমিটার সড়ক যান চলাচলের উপযোগী হয়ে যাবে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “এবারের ঈদুল ফিতর একটি অগ্নিপরীক্ষা ছিল। জনগণের জন্য মন্ত্রণালয়ের সবাই কঠোর পরিশ্রম করেছে। লিডার হিসেবে কাজ করেছি এবং করাতে পেরেছি, এটাই টিমওয়ার্ক।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের কাজে ১০০ ভাগ সন্তুষ্ট নই। তবে মানুষ আগের চেয়ে ভালো আছে। আমার হাতে আলাদিনের চেরাগ নেই। তাই রাতারাতি কোনো অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব না। ধীরে ধীরে সাফল্য আসবে। আত্মতুষ্টিতে না ভুগে মানুষের চোখ ও মুখের ভাষা বুঝতে হবে।”
মন্ত্রী বলেন, “রাজনীতিবিদরা যেমন সবাই ভালো না, কর্মকর্তারাও সবাই ভালো না। বিআরটিএতে ৫০ ভাগ সমস্যা কেটে গেছে। পাকশির সমস্যার ব্যাপারে শুনেছি, সেখানে লুটতরাজ চলছে। রেলের জমিতে প্রাসাদ করা হয়েছে। অবশ্যই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের উত্তরাঞ্চলের রাস্তাঘাট অনেক ভালো। তবে খাগড়াছড়ি, বরগুনা, চাঁদপুরের রাস্তা এখনো ভালো হয়নি।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমি রেলের একজনকে চড় মেরেছি বলে বিভিন্ন পত্রিকায় ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা হয়েছে। সমালোচনা করা দোষের কিছু না। কিন্তু আসল ব্যাপারটা বুঝতে হবে। ভালো কাজের নিন্দা করলে আমার প্রতি অবিচার করা হবে। দেশের ৯০ ভাগ আমার পাঠক প্রশংসা করেছে। সেখানে ১০ হাজার লোক হাততালি দিয়েছে। তাই অনুপ্রাণিত হয়েছি।”
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন সিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইফতেখার কবির।
প্রকৌশলী এ বি এম শের তাজুর রহমান সভা পরিচালনা করেন।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন