প্রয়োজনে দুই উপদেষ্টাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পদ্মা সেতুবিষয়ক তথ্য আদান-প্রদানে দুদক প্রস্তুত বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি ডেসটিনির কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়কে ‘সিভিল নয়’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে গোলাম রহমান সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম রহমান বলেন, ‘হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারির বিষয়ে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব সফিকুর রহমান পাটোয়ারীকে এবং পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
পদ্মা সেতু দুর্নীতি তদন্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হলে এমনিতেই বিশ্বব্যাংকের প্যানেলের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান শুরু হবে। এ জন্য দুদক প্রস্তুত। তবে সবটুকুই নির্ভর করছে সরকারের ওপর।
ডেসটিনির কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘জরুরি অবস্থায় অনেক সময় মামলার আগে-পরে গ্রেপ্তার করা হতো, কিন্তু এখন দেশে সে অবস্থা নেই।’ তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ওই ধরনের কাজকে নন-সিভিল বলে মনে করি।’
হলমার্ক কেলেঙ্কারি অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রসঙ্গে গোলাম রহমান বলেন, ‘হলমার্ক যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে, ওই টাকার সমপরিমাণ এক-হাজার টাকার নোট দুদকের সামনে রাখলে স্তূপ হয়ে যাবে। তাই এ অনুসন্ধানকাজ শেষ করতে একটু সময় লাগবেই।’
দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ: হলমার্ক অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় আজ সোনালী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন: উপমহাব্যবস্থাপক মো. আহসানউল্লাহ ও বেগম আজিজুর রহমান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক বিজন কুমার পাল, আবুল বাসার মিজি, দেলোয়ার হোসেন আব্বাসী ও আনোয়ার হোসেন। তাঁরা সবাই ব্যাংকের প্রধান বাণিজ্য ও অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবুল বাসার মিজি সাংবাদিকদের বলেন, হলমার্কের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি হলমার্ক গ্রুপের কোনো অনুষ্ঠানে তিনি কখনোই যোগ দেননি বলে দাবি করেন। হলমার্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ছবি রয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন,‘ এটা কীভাবে হয়েছে, আমি জানি না।’
একই অভিযোগে কাল বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোনালী ব্যাংকের ওই বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম ও নেছার আহমেদ, সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবদুল মোমিন পাটোয়ারী, শ্যামল কান্তি নাথ, মো. শাহজাহান ও শামিম আখতারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে গোলাম রহমান সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম রহমান বলেন, ‘হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারির বিষয়ে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব সফিকুর রহমান পাটোয়ারীকে এবং পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’
পদ্মা সেতু দুর্নীতি তদন্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হলে এমনিতেই বিশ্বব্যাংকের প্যানেলের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান শুরু হবে। এ জন্য দুদক প্রস্তুত। তবে সবটুকুই নির্ভর করছে সরকারের ওপর।
ডেসটিনির কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘জরুরি অবস্থায় অনেক সময় মামলার আগে-পরে গ্রেপ্তার করা হতো, কিন্তু এখন দেশে সে অবস্থা নেই।’ তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ওই ধরনের কাজকে নন-সিভিল বলে মনে করি।’
হলমার্ক কেলেঙ্কারি অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রসঙ্গে গোলাম রহমান বলেন, ‘হলমার্ক যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে, ওই টাকার সমপরিমাণ এক-হাজার টাকার নোট দুদকের সামনে রাখলে স্তূপ হয়ে যাবে। তাই এ অনুসন্ধানকাজ শেষ করতে একটু সময় লাগবেই।’
দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ: হলমার্ক অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় আজ সোনালী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন: উপমহাব্যবস্থাপক মো. আহসানউল্লাহ ও বেগম আজিজুর রহমান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক বিজন কুমার পাল, আবুল বাসার মিজি, দেলোয়ার হোসেন আব্বাসী ও আনোয়ার হোসেন। তাঁরা সবাই ব্যাংকের প্রধান বাণিজ্য ও অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবুল বাসার মিজি সাংবাদিকদের বলেন, হলমার্কের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এমনকি হলমার্ক গ্রুপের কোনো অনুষ্ঠানে তিনি কখনোই যোগ দেননি বলে দাবি করেন। হলমার্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর ছবি রয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন,‘ এটা কীভাবে হয়েছে, আমি জানি না।’
একই অভিযোগে কাল বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোনালী ব্যাংকের ওই বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম ও নেছার আহমেদ, সহকারী মহাব্যবস্থাপক আবদুল মোমিন পাটোয়ারী, শ্যামল কান্তি নাথ, মো. শাহজাহান ও শামিম আখতারকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন