বাংলারবার্তাটোয়েন্টিফোর.কমঃ
উচ্চহারে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।ঢাকা শহরতো বটেই সমান তালে মফস্বলেও বেড়েই চলেছে মাছ ও মাংসের দাম। সপ্তাহজুড়ে বাজারে গরুর মাংস ৩০০, খাসি ৪৬০, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশের হালি ৪ হাজার, গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ৬শ, রুই ১৭০, ঢেলা ১৬০, জাটকা ৩০০, তেলাপিয়া ১৬০, টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আবারো ডিমের দামও ৪০ ছুয়েছে যা রমজান মাসজুড়ে ৩০ এর কোটায় ছিল। শুক্রবারও রাজধানীর বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বাজার ঘুরে এ চিত্র অপরিবর্তিত দেখা গেছে।
খুচরা মাছ বিক্রেতারা বলছে পাইকারি আড়তদাররা অতিরিক্ত দরে বিক্রি করায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অপরদিকে মাংস বিক্রেতারা বলছেন গরু ও মুরগির দাম রমজান মাসের তুলনায় অনেক বাড়ছে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কুরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু বিক্রি কমিয়ে দিয়েছে গরু ব্যবসায়ীরা, ভারত থেকে গরু আমদানিও অনেক কমেছে।
বাজারগুলোতে দেখা যায়, টমেটো ৯০ টাকা, আলু ২৪ টাকায়, বেগুন প্রকারভেদে ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা, ফুল কপি প্রতিটি ৪০ টাকা, বাধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ ২৫ থেকে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া আকার ১৫ থেকে ২৫ টাকায়, মূলা ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, পটল ২০ টাকায়, ঢেঁড়শ ২০ টাকায়, কাকরল ২০ টাকায়, করলা ২৫, কচুমূখী ২৪ টাকায়, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, ঝিঙ্গে ২০ থেকে ২৫, সবজি কলার হালি ১৫ থেকে ২০ টাকায়, কুমড়া ৩০ থেকে ৮০ টাকায়, সাজনা ৫০ টাকায় বিক্রি করছে খুচরা বিক্রেতারা।
কাঁচামরিচ ৬০ টাকা, ধনে পাতা কেজিতে ১৫০ টাকা, শসা ২০ থেকে ৪০ টাকা, লেবুর হালি ১৫ থেকে ২০ টাকা। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, বিলেতি ধনে পাতা ১শত টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি ৫ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির ৫ লিটার ভোজ্য তেলের দাম ৬৬৫ টাকা ও পাম তেলের দাম ১১২ টাকায়, পিঁয়াজ ৩৫ টাকায়, রসুন ১০০ টাকা, আদা ৫৫ টাকায়, চিনি ৫৫ টাকায়, ডাবলি ৫৫ টাকায়, ঘি ২৫০ টাকা, জিরা ২১০ টাকা, মরিচের গুড়া ১৫০ টাকা হলুদের গুড়া ১২৫ টাকা, চা পাতা ২২০ টাকায়, গোটা ধনে ৮০ টাকায় , গোটা হলুদ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উচ্চহারে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।ঢাকা শহরতো বটেই সমান তালে মফস্বলেও বেড়েই চলেছে মাছ ও মাংসের দাম। সপ্তাহজুড়ে বাজারে গরুর মাংস ৩০০, খাসি ৪৬০, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশের হালি ৪ হাজার, গলদা চিংড়ি কেজি প্রতি ৬শ, রুই ১৭০, ঢেলা ১৬০, জাটকা ৩০০, তেলাপিয়া ১৬০, টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আবারো ডিমের দামও ৪০ ছুয়েছে যা রমজান মাসজুড়ে ৩০ এর কোটায় ছিল। শুক্রবারও রাজধানীর বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বাজার ঘুরে এ চিত্র অপরিবর্তিত দেখা গেছে।খুচরা মাছ বিক্রেতারা বলছে পাইকারি আড়তদাররা অতিরিক্ত দরে বিক্রি করায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অপরদিকে মাংস বিক্রেতারা বলছেন গরু ও মুরগির দাম রমজান মাসের তুলনায় অনেক বাড়ছে। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, কুরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু বিক্রি কমিয়ে দিয়েছে গরু ব্যবসায়ীরা, ভারত থেকে গরু আমদানিও অনেক কমেছে।
বাজারগুলোতে দেখা যায়, টমেটো ৯০ টাকা, আলু ২৪ টাকায়, বেগুন প্রকারভেদে ১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা, ফুল কপি প্রতিটি ৪০ টাকা, বাধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, লাউ ২৫ থেকে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া আকার ১৫ থেকে ২৫ টাকায়, মূলা ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, পটল ২০ টাকায়, ঢেঁড়শ ২০ টাকায়, কাকরল ২০ টাকায়, করলা ২৫, কচুমূখী ২৪ টাকায়, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, ঝিঙ্গে ২০ থেকে ২৫, সবজি কলার হালি ১৫ থেকে ২০ টাকায়, কুমড়া ৩০ থেকে ৮০ টাকায়, সাজনা ৫০ টাকায় বিক্রি করছে খুচরা বিক্রেতারা।
কাঁচামরিচ ৬০ টাকা, ধনে পাতা কেজিতে ১৫০ টাকা, শসা ২০ থেকে ৪০ টাকা, লেবুর হালি ১৫ থেকে ২০ টাকা। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, বিলেতি ধনে পাতা ১শত টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি ৫ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির ৫ লিটার ভোজ্য তেলের দাম ৬৬৫ টাকা ও পাম তেলের দাম ১১২ টাকায়, পিঁয়াজ ৩৫ টাকায়, রসুন ১০০ টাকা, আদা ৫৫ টাকায়, চিনি ৫৫ টাকায়, ডাবলি ৫৫ টাকায়, ঘি ২৫০ টাকা, জিরা ২১০ টাকা, মরিচের গুড়া ১৫০ টাকা হলুদের গুড়া ১২৫ টাকা, চা পাতা ২২০ টাকায়, গোটা ধনে ৮০ টাকায় , গোটা হলুদ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন