বাংলারবার্তাটোয়েন্টিফোর.কমঃ
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকার ভোগপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রী ও তার বাবা এসিডে পুড়ে গেছেন। উত্ত্যক্তকারীরা ওই ছাত্রীকে এসিড ছোড়েন। এ সময় ছাত্রীটির বাবাও তাঁদের ছোড়া সেই এসিডে পুড়ে যান।
এসিডদগ্ধ মেয়েটির বাবাকে প্রথমে কটিয়াদী হাসপাতালে ও পরে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটিও আহত হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, আজ শুক্রবার ভোরে পৌর সদরের ভোগপাড়া এলাকার কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে এসিড মারার জন্য কনটেইনারভর্তি এসিড ও একটি মগ নিয়ে তার বাড়িতে যান। তাঁরা ছাত্রীর ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রীটির ঘুম ভেঙে যায়। সে বাবাকে ডাকে। ছাত্রীর বাবা দরজা খোলার পরই যুবকেরা তাঁর শরীরে এসিড ছোড়ে। বাবার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়ের গায়েও এসিড লাগে। তাদের চিত্কারে আশপাশের লোকজন এলে এসিড নিক্ষেপকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যান। মেয়েটির ভাই জানান, এ ঘটনায় এলাকার রনি মিয়া (২৫), নয়ন (২৩), রাকিব (২০), সাইফুলকে (৩৫) আসামি করে কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করবেন।
কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ আহম্মদ বাংলারবার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই থানায় মামলা করা হবে"। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে তত্পরতা চলছে বলে জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকার ভোগপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রী ও তার বাবা এসিডে পুড়ে গেছেন। উত্ত্যক্তকারীরা ওই ছাত্রীকে এসিড ছোড়েন। এ সময় ছাত্রীটির বাবাও তাঁদের ছোড়া সেই এসিডে পুড়ে যান।
এসিডদগ্ধ মেয়েটির বাবাকে প্রথমে কটিয়াদী হাসপাতালে ও পরে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটিও আহত হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, আজ শুক্রবার ভোরে পৌর সদরের ভোগপাড়া এলাকার কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে এসিড মারার জন্য কনটেইনারভর্তি এসিড ও একটি মগ নিয়ে তার বাড়িতে যান। তাঁরা ছাত্রীর ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রীটির ঘুম ভেঙে যায়। সে বাবাকে ডাকে। ছাত্রীর বাবা দরজা খোলার পরই যুবকেরা তাঁর শরীরে এসিড ছোড়ে। বাবার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়ের গায়েও এসিড লাগে। তাদের চিত্কারে আশপাশের লোকজন এলে এসিড নিক্ষেপকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যান। মেয়েটির ভাই জানান, এ ঘটনায় এলাকার রনি মিয়া (২৫), নয়ন (২৩), রাকিব (২০), সাইফুলকে (৩৫) আসামি করে কটিয়াদী থানায় মামলা দায়ের করবেন।
কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ আহম্মদ বাংলারবার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই থানায় মামলা করা হবে"। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে তত্পরতা চলছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন