নিউ ইয়র্ক, ২৫ আগস্ট: সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের মাধ্যমে দীর্ঘ ৫০ বছর পর পুনর্মিলন ঘটল মা-মেয়ের। স্টেফানি ফিলিপস তার মা জোয়ান ওয়েহরমেয়ারকে খুঁজে পান ফেসবুকে। ১৯৬০ এর দশকে মায়ের সঙ্গে শেষবার দেখা হয়েছিল স্টেফানির। তখন তিনি শিশু ছিলেন। স্টেফানির বয়স এখন ৪৮ বছর। আর তার মা জোয়ানের বয়স ৬৭ বছর।
আমেরিকার পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ওয়েনেসবার্গে বসবাস করেন স্টেফানি। মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকে তিনি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেন।
একটি শীর্ষস্থানীয় একটি সংবাদপত্রকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টেফানি বলেন, “যখন আমি বড় হচ্ছিলাম, তখন কোনো প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না আমার।”
স্টেফানি কয়েক বছর তার স্বামী রডনিকে সঙ্গে নিয়ে মাকে খুঁজে বেড়িয়েছেন। কিন্তু আশার কোনো আলো তারা দেখতে পাননি। একের পর এক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তা সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি। রডনি তার মরিয়া স্ত্রী স্টেফানিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যেভাবেই হোক তার মাকে খুঁজে বের করবেন।
অবশেষে একদিন একটি সুযোগ এলো। মায়ের ডাকনাম জানতেন না স্টেফানি। এক প্রবীণ আত্মীয়াকে পরিচর্যার সময় তার মায়ের ডাকনাম, বয়স ও ঠিকানা জানতে পারলেন। তারপরই বসে পড়লেন ফেসবুকে।
সৌভাগ্যক্রমে মা জোয়ান ফেসবুকে কোরচেন ডাকনামটি দিয়েই অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত স্বামী রডনি ফেসবুকে তার স্ত্রীর মায়ের নাম খুঁজে পেলেন। ফেসবুকে কয়েকটি মেসেজ পাঠানোর পর ১৮ই জুন স্টেফানি তার মায়ের কাছ থেকে উত্তর পেলেন। এভাবেই দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দী পর পুনর্মিলিত হলেন মা-মেয়ে। তারা গত মঙ্গলবার ডিরফিল্ড বিচের টু জর্জেস রেস্টুরেন্টে মিলিত হন। ফেসবুকে মিলিত হওয়ার এক মাস পর পুনর্মিলিত হলেন মা-মেয়ে।
জোয়ান বিয়ে করেছিলেন রিচার্ড বোটউইনকে। কিন্তু এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। স্টেফানিকে তার পিতার কাছে রেখে সংসার ছাড়েন জোয়ান। তিনি বলেন, এছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা ছিল না তার সামনে। স্টেফানি তার পিতার সঙ্গে নিউ জার্সিতে বসবাস করতে শুরু করেন। আর তার মা জোয়ান চলে যান দক্ষিণ ফ্লোরিডায়। সেখানেই আবার বিয়ে করেন। ওই সংসারে একটি সন্তানের মা হন তিনি ও আরেকটি সন্তান দত্তক নেন। বর্তমানে তিনি থাকেন কোরাল স্প্রিং এলাকায়। সূত্র: ওয়েবসাইট
আমেরিকার পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ওয়েনেসবার্গে বসবাস করেন স্টেফানি। মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকে তিনি স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেন।
একটি শীর্ষস্থানীয় একটি সংবাদপত্রকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টেফানি বলেন, “যখন আমি বড় হচ্ছিলাম, তখন কোনো প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না আমার।”
স্টেফানি কয়েক বছর তার স্বামী রডনিকে সঙ্গে নিয়ে মাকে খুঁজে বেড়িয়েছেন। কিন্তু আশার কোনো আলো তারা দেখতে পাননি। একের পর এক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তা সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি। রডনি তার মরিয়া স্ত্রী স্টেফানিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যেভাবেই হোক তার মাকে খুঁজে বের করবেন।
অবশেষে একদিন একটি সুযোগ এলো। মায়ের ডাকনাম জানতেন না স্টেফানি। এক প্রবীণ আত্মীয়াকে পরিচর্যার সময় তার মায়ের ডাকনাম, বয়স ও ঠিকানা জানতে পারলেন। তারপরই বসে পড়লেন ফেসবুকে।
সৌভাগ্যক্রমে মা জোয়ান ফেসবুকে কোরচেন ডাকনামটি দিয়েই অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত স্বামী রডনি ফেসবুকে তার স্ত্রীর মায়ের নাম খুঁজে পেলেন। ফেসবুকে কয়েকটি মেসেজ পাঠানোর পর ১৮ই জুন স্টেফানি তার মায়ের কাছ থেকে উত্তর পেলেন। এভাবেই দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতাব্দী পর পুনর্মিলিত হলেন মা-মেয়ে। তারা গত মঙ্গলবার ডিরফিল্ড বিচের টু জর্জেস রেস্টুরেন্টে মিলিত হন। ফেসবুকে মিলিত হওয়ার এক মাস পর পুনর্মিলিত হলেন মা-মেয়ে।
জোয়ান বিয়ে করেছিলেন রিচার্ড বোটউইনকে। কিন্তু এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। স্টেফানিকে তার পিতার কাছে রেখে সংসার ছাড়েন জোয়ান। তিনি বলেন, এছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা ছিল না তার সামনে। স্টেফানি তার পিতার সঙ্গে নিউ জার্সিতে বসবাস করতে শুরু করেন। আর তার মা জোয়ান চলে যান দক্ষিণ ফ্লোরিডায়। সেখানেই আবার বিয়ে করেন। ওই সংসারে একটি সন্তানের মা হন তিনি ও আরেকটি সন্তান দত্তক নেন। বর্তমানে তিনি থাকেন কোরাল স্প্রিং এলাকায়। সূত্র: ওয়েবসাইট


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন