আফগানিস্তানে এ বছরের শুরুর দিকে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনায় ছয়জন মার্কিন সেনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স গতকাল সোমবার এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই ঘটনায় ছয় মার্কিন সেনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন কমিশন পাওয়া কর্মকর্তা এবং বাকি দুজন নন-কমিশনড কর্মকর্তা।
সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রশাসনিক শাস্তির মধ্যে আছে কঠোর তিরস্কার, পদাবনতি বা বেতন কেটে নেওয়া। ফৌজদারি অপরাধ হলেও এত লঘু শাস্তি আফগান কর্তৃপক্ষকে সন্তুষ্ট নাও করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাবুলের বাগরামে মার্কিন সেনারা পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় জড়িত মার্কিন সেনাদের জনসমক্ষে বিচারের দাবি জানিয়েছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় আফগানিস্তানে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়। ঘটনার পরপরই দুজন মার্কিন সেনাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের কাছে ক্ষমা চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
এদিকে আলাদা এক তদন্তে আফগানিস্তানে তালেবান যোদ্ধার মৃতদেহের ওপর প্রস্রাব করার ঘটনায় তিন মার্কিন মেরিন সেনার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাদেরও শাস্তি হবে বলে মার্কিন মেরিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালেবান যোদ্ধার মৃতদেহের ওপর মার্কিন মেরিন সেনার প্রস্রাব করার দৃশ্যসংবলিত ভিডিওটি এ বছরের জানুয়ারিতে ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়; যদিও ঘটনাটি ২০১১ সালের ২৭ জুলাই আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে ঘটেছিল। আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এ ঘটনাকে ‘অমানবিক’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেছিলেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই ঘটনায় ছয় মার্কিন সেনার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন কমিশন পাওয়া কর্মকর্তা এবং বাকি দুজন নন-কমিশনড কর্মকর্তা।
সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রশাসনিক শাস্তির মধ্যে আছে কঠোর তিরস্কার, পদাবনতি বা বেতন কেটে নেওয়া। ফৌজদারি অপরাধ হলেও এত লঘু শাস্তি আফগান কর্তৃপক্ষকে সন্তুষ্ট নাও করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কাবুলের বাগরামে মার্কিন সেনারা পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় জড়িত মার্কিন সেনাদের জনসমক্ষে বিচারের দাবি জানিয়েছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় আফগানিস্তানে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়। ঘটনার পরপরই দুজন মার্কিন সেনাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের কাছে ক্ষমা চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
এদিকে আলাদা এক তদন্তে আফগানিস্তানে তালেবান যোদ্ধার মৃতদেহের ওপর প্রস্রাব করার ঘটনায় তিন মার্কিন মেরিন সেনার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাদেরও শাস্তি হবে বলে মার্কিন মেরিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তালেবান যোদ্ধার মৃতদেহের ওপর মার্কিন মেরিন সেনার প্রস্রাব করার দৃশ্যসংবলিত ভিডিওটি এ বছরের জানুয়ারিতে ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়; যদিও ঘটনাটি ২০১১ সালের ২৭ জুলাই আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে ঘটেছিল। আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এ ঘটনাকে ‘অমানবিক’ বলে অ্যাখ্যায়িত করেছিলেন।

0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন