
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাঁধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে মৃক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান নেবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জামায়াত-শিবিরের তৎপরতা রুখতে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর থেকে স্বাধীনতার মাস মার্চ পর্যন্ত রাজপথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
শুক্রবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানায়। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রতিক তান্ডব নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন।
ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত রাজপথের কর্মসূচি পালন করার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ নাসিমকে সমন্বয় করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে থাকবে সভা-সমাবেশ, মিছিল, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক ইত্যাদি। ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।
দলের সকল সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনকে রাস্তায় নামানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এসব কর্মসূচিতে কর্মীদের রাস্তায় নামাতে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
সভার সূত্র জানায়, দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের এ বক্তব্য নাকোচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না এটা ঠিক না। বিনিয়োগ হচ্ছে।
এদিকে সভায় আগামী ২৯ ডিসেম্বর পূর্ব ঘোষিত দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পদাধিকার বলে কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্রত গঠনতন্ত্র সংশোধন এবং কাউন্সিল প্রস্তুতি সাব কমিটি গঠন করা হবে।
এ ছাড়া সভায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরসহ কয়েকটি উপজেলা কমিটি ভাঙার ব্যাপারে শেখ হাসিনা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্র জানায়। এজন্য দলের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে কুষ্টিয়া জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আমসা আমিনের পদত্যাগ পত্র সভায় গৃহীত হয়নি। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ডেকে সমঝোতা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি।
0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন