আমেরিকা সফরত বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
জানিয়েছেন, দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতি এড়াতে সংলাপের অপেক্ষায় আছে প্রধান
বিরোধী দল বিএনপি।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগই আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে পারে। কারণ দেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়।”
রোববার আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে ফখরুল এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দেশে অশান্তি সৃষ্টি হোক বিএনপি কখনোই তা চায় না। তাই বিরোধী দল সবসময় সরকারকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসছে, কিন্তু আওয়ামী লীগ কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমরা সংলাপের অপেক্ষায় আছি।”
‘১৫ ফেব্রুয়ারির মতো একতরফা নির্বাচন আওয়ামী লীগ করবে না এবং আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে’ নিউ ইয়র্কে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় ফিরলেই কেবল তা সম্ভব। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। এখন প্রধানমন্ত্রী যদি বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে চান, তাহলে তাকে সংবিধান সংশোধন করতে হবে এবং এটি আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্ভব। কেননা তাদের সেই মেজরিটি আছে।”
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তার প্রবন্ধে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের তুলনা করে বলেন, “সব দিক দিয়েই দেশ আগের চেয়ে অনেক পিছিয়ে গেছে।”
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর আমেরিকার বাঙালি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংগঠন সেন্টার ফর ভেলপমেন্ট স্টাটিজ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করে এই সেমিনারের। এতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দিন খান আলমগীর ও আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পির অংশ নেয়ার কথা থাকলেও বোস্টনে এসেও তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক আমার দেশ, এটিএন বাংলা ও এনটিভি। এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল। তবে জানা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেমিনারে অংশ না নেয়ায় অনাহুত বিতর্ক এড়াতেই তিনি অনুষ্ঠানে যাননি।
আয়োজকরা অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি তাদের আমন্ত্রণে আমেরিকার ভিসা নিয়ে বোস্টনে এলেও অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তারা এটাকে অসৌজন্যতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগই আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে পারে। কারণ দেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়।”
রোববার আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে ফখরুল এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দেশে অশান্তি সৃষ্টি হোক বিএনপি কখনোই তা চায় না। তাই বিরোধী দল সবসময় সরকারকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসছে, কিন্তু আওয়ামী লীগ কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমরা সংলাপের অপেক্ষায় আছি।”
‘১৫ ফেব্রুয়ারির মতো একতরফা নির্বাচন আওয়ামী লীগ করবে না এবং আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে’ নিউ ইয়র্কে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় ফিরলেই কেবল তা সম্ভব। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। এখন প্রধানমন্ত্রী যদি বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে চান, তাহলে তাকে সংবিধান সংশোধন করতে হবে এবং এটি আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্ভব। কেননা তাদের সেই মেজরিটি আছে।”
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তার প্রবন্ধে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের তুলনা করে বলেন, “সব দিক দিয়েই দেশ আগের চেয়ে অনেক পিছিয়ে গেছে।”
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর আমেরিকার বাঙালি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংগঠন সেন্টার ফর ভেলপমেন্ট স্টাটিজ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করে এই সেমিনারের। এতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দিন খান আলমগীর ও আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পির অংশ নেয়ার কথা থাকলেও বোস্টনে এসেও তারা অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক আমার দেশ, এটিএন বাংলা ও এনটিভি। এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল। তবে জানা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেমিনারে অংশ না নেয়ায় অনাহুত বিতর্ক এড়াতেই তিনি অনুষ্ঠানে যাননি।
আয়োজকরা অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি তাদের আমন্ত্রণে আমেরিকার ভিসা নিয়ে বোস্টনে এলেও অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তারা এটাকে অসৌজন্যতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন