পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের
বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে নোটিস জারি করেছেন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ তাজুলের বিরুদ্ধে এ নোটিস জারি করেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
সোমবার সকালে নিজামীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী মিছবাহুর রহমানের জেরাকালে আইনজীবী তাজুল ইসলাম রাগ করে আদালতকক্ষ ত্যাগ করায় ট্রাইব্যুনাল এ নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, রোববার সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাব নিয়ে প্রসিকিউশন, ডিফেন্স, সাক্ষী এবং ট্রাইব্যুনালের মাঝে তর্ক-বিতর্ক হয়।
এ সময় সাক্ষী মিছবাহুর রহমান উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে বলেন, “আইনজীবীতো নয়, যেন জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার।” তখন আইনজীবী তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন।
গতকালের মতো আজও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সি আহসান কবির অশুভ আচরণের অভিযোগে সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় আইনজীবী তাজুল ইসলাম আদালতে দাঁড়িয়ে বলেন, “একজন সাক্ষী আদালতে বসে আইনজীবীকে আক্রমণাত্মক কথা বলবে অথচ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তাহলে সেখানে একজন আইনজীবী হিসেবে আত্মমর্যাদা নিয়ে বসে থাকা সম্ভব নয়।”
একজন আইনজীবী চাইলেই কি আদালত থেকে বের হয়ে যেতে পারেন কিনা সে বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল একটি রুলস পড়ে শোনান। এরপর ট্রাইব্যুনাল বলেন, “জেরাকালে একজন মাত্র আইনজীবী কথা বলতে পারবেন।”
এ সময় তাজুল ইসলাম রাগ করে ট্রাইব্যনাল থেকে বের হয়ে গেলে ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে শো’কজ নোটিস জারি করেন।
এরপর আবার মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর জেরা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ তাজুলের বিরুদ্ধে এ নোটিস জারি করেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাকে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
সোমবার সকালে নিজামীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী মিছবাহুর রহমানের জেরাকালে আইনজীবী তাজুল ইসলাম রাগ করে আদালতকক্ষ ত্যাগ করায় ট্রাইব্যুনাল এ নির্দেশ দেন।
প্রসঙ্গত, রোববার সাক্ষী মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাব নিয়ে প্রসিকিউশন, ডিফেন্স, সাক্ষী এবং ট্রাইব্যুনালের মাঝে তর্ক-বিতর্ক হয়।
এ সময় সাক্ষী মিছবাহুর রহমান উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে বলেন, “আইনজীবীতো নয়, যেন জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার।” তখন আইনজীবী তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন।
গতকালের মতো আজও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুন্সি আহসান কবির অশুভ আচরণের অভিযোগে সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় আইনজীবী তাজুল ইসলাম আদালতে দাঁড়িয়ে বলেন, “একজন সাক্ষী আদালতে বসে আইনজীবীকে আক্রমণাত্মক কথা বলবে অথচ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তাহলে সেখানে একজন আইনজীবী হিসেবে আত্মমর্যাদা নিয়ে বসে থাকা সম্ভব নয়।”
একজন আইনজীবী চাইলেই কি আদালত থেকে বের হয়ে যেতে পারেন কিনা সে বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল একটি রুলস পড়ে শোনান। এরপর ট্রাইব্যুনাল বলেন, “জেরাকালে একজন মাত্র আইনজীবী কথা বলতে পারবেন।”
এ সময় তাজুল ইসলাম রাগ করে ট্রাইব্যনাল থেকে বের হয়ে গেলে ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে শো’কজ নোটিস জারি করেন।
এরপর আবার মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর জেরা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন