ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল অব. হারুন অর
রশিদের জামিন স্থগিতাদেশ (লিভ টু আপিল) চেয়ে দুদকের করা আবেদন খারিজ করেছে
আপিল বিভাগ।
সোমবার আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি শামসুল হুদার আদালতে এ আবেদনের শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেন।
এর ফলে ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুনের জামিন আদেশ বহাল থাকলো।
রোববার দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল করেন।
আইনজীবী বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন শর্তে দুদকের দায়ের করা দুটি মামলায় লে. জেনারেল অব. হারুন অর রশিদকে দুই মাসের জামিন দেন বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ।
গত ১১ অক্টোবর লে. জেনারেল অব. হারুন অর রশিদ, ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। সেদিনই তারা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হকের আদালতে পৃথকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদ, রফিকুল আমীন, মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনির শীর্ষ ২১ কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দেয়া জামিন বাতিল করেছিলেন একই আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প¬্যানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।
সোমবার আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি শামসুল হুদার আদালতে এ আবেদনের শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেন।
এর ফলে ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুনের জামিন আদেশ বহাল থাকলো।
রোববার দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল করেন।
আইনজীবী বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন শর্তে দুদকের দায়ের করা দুটি মামলায় লে. জেনারেল অব. হারুন অর রশিদকে দুই মাসের জামিন দেন বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ।
গত ১১ অক্টোবর লে. জেনারেল অব. হারুন অর রশিদ, ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। সেদিনই তারা ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হকের আদালতে পৃথকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদ, রফিকুল আমীন, মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনির শীর্ষ ২১ কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দেয়া জামিন বাতিল করেছিলেন একই আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ডেসটিনি ট্রি প¬্যানটেশন ও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মাধ্যমে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কিন্তু বর্তমানে তাদের পৃথক দুটি অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ও চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা আছে। বাকি তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা তারা মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন