৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। কাল রোববার এই পরীক্ষা শুরু
হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে বেশ কিছুদিন ধরে গুজব
ছিল।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন আজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের কারণেই এমনটি হলো কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাই আমরা পরীক্ষা স্থগিত করলাম। পরে নতুন তারিখ জানানো হবে।’
সাধারণ ক্যাডারের জন্য আবশ্যিক বিষয়ের নয়টি পরীক্ষা স্থগিত করলেও কারিগরি (টেকনিক্যাল) ক্যাডারের পরীক্ষাগুলো চলবে বলে জানিয়েছে পিএসসি। তবে ৩০ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত টেকনিক্যাল ক্যাডারের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
চার হাজার ২০৬টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত ১ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পৌনে দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন। গত ২৮ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ৭ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ হাজার ১৬২। মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ২৬টি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে গুজব শোনা যাচ্ছে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন, তাঁদের বলা হচ্ছে, তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা দিলেই পরীক্ষার দুই-এক দিন আগে সব প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবে। ছাত্রলীগের জহুরুল হক হল ও জগন্নাথ হলের কয়েকজন নেতা-কর্মী এই প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন, এমন কথাও বলা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র পাওয়ার আশায় এরই মধ্যে বেশ কজন টাকা দিয়েছেন। ওই পরীক্ষার্থীদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, বিষয়টি অতি গোপনীয়। অন্য কাউকে যেন জানানো না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই গুজবের কারণে ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী।
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন আজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের কারণেই এমনটি হলো কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাই আমরা পরীক্ষা স্থগিত করলাম। পরে নতুন তারিখ জানানো হবে।’
সাধারণ ক্যাডারের জন্য আবশ্যিক বিষয়ের নয়টি পরীক্ষা স্থগিত করলেও কারিগরি (টেকনিক্যাল) ক্যাডারের পরীক্ষাগুলো চলবে বলে জানিয়েছে পিএসসি। তবে ৩০ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত টেকনিক্যাল ক্যাডারের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
চার হাজার ২০৬টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৩তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত ১ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পৌনে দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন। গত ২৮ জুন প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ৭ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ হাজার ১৬২। মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ২৬টি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে গুজব শোনা যাচ্ছে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন, তাঁদের বলা হচ্ছে, তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা দিলেই পরীক্ষার দুই-এক দিন আগে সব প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবে। ছাত্রলীগের জহুরুল হক হল ও জগন্নাথ হলের কয়েকজন নেতা-কর্মী এই প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছেন, এমন কথাও বলা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র পাওয়ার আশায় এরই মধ্যে বেশ কজন টাকা দিয়েছেন। ওই পরীক্ষার্থীদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, বিষয়টি অতি গোপনীয়। অন্য কাউকে যেন জানানো না হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের এই গুজবের কারণে ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী।


0 মন্তব্য:
Post a Comment
আপনার মতামত দিন